বুধবার, জুন ১০, ২০২৬

অ রু ণি মা চ্যা টা র্জী

  • সুন্দরের উপাসনা
  • ২০২৬-০৫-১৪ ১১:৪৩:৫২

 গমরঙা পৃথিবী একদিন 
 অলৌকিক আলোর আঁচলে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছিল।
 সৃষ্টির শরীরে তখন,
 চন্দনকাঠের সুগন্ধ লেগে থাকত দীর্ঘ প্রার্থনার মতো !

 তারপর ! প্রলয়ের লাশ্যময়ী অগ্নিনর্তকী,
 মহাবলীর করতলে আশ্রিত হয়ে 
 শিখে নিল বশ্যতার গোপন ব্যাকরণ।
 নতজানু আগুন এখন 
 ইশারায় ইশারায় ধ্বংসের মন্ত্র পাঠ করে।

 বাতাস দূতের মতো 
 অদৃশ্য সংকেত বয়ে আনে  !
 আর লেলিহান শিখারা,
 চন্দনবনে দাবানলের উপাখ্যান লেখে।
 গোলাপের পাপড়ির মতো  কোমল অনুভূতিগুলো  !
 ধীরে ধীরে ছাই হয়ে উড়ে যায় 
 অদেখা শ্মশানের দিকে।

 জীবন ও জীবিকা !
 দুটি সমান্তরাল নদীর মতো বয়ে চলে
  অনিবার্য মোহনার অভিমুখে।
 মানুষের গল্প, নদীর গল্প, ক্ষয়ের গল্প !
 শেষ পর্যন্ত একই জলে গিয়ে নামহীন হয়ে মিশে যায়। 

 ম্লান জ্যোৎস্নার  পাতলা পাংশুটে সর 
 নদী নিঃশব্দে পান করে নেয় 
 রাতের গভীরতা থেকে।
 দক্ষ ডুবুরি মতো এক মাছরাঙা !
 পান্না সবুজ জলের বুক চিরে তুলে আনে 
 যন্ত্রণায় থরথর করতে থাকা জীবন  !

 এক সময় আগুন ও ক্লান্ত হয়ে,
 খাদ্য ও খাদকের শাশ্বত শৃংখলের কাছে 
 মাথা নত করে !
ধ্বংস থেমে থাকে কিছুক্ষণ!
 তখন সৃষ্টি আবার
ভাঙা মন্দিরের ধূপগন্ধ মেখে 
 সুন্দরের উপাসনায় ফিরে যায়। 


এ জাতীয় আরো খবর