থাইল্যান্ডে চিকিৎসা শেষে নির্ধারিত সময়ের আগেই দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম। তার আগাম প্রত্যাবর্তনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে চলমান আলোচনার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে স্পিকার বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি এখনও অবগত নন। তবে সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সেই পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছেই জমা দিতে হবে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম তাকে স্বাগত জানান।
বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে চলমান গুঞ্জনের বিষয়ে স্পিকার বলেন, তিনি দেশের বাইরে থাকায় এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানতেন না। দেশে ফেরার পর বিষয়টি জানতে পারবেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি যদি পদত্যাগ করেন, তাহলে তা স্পিকারের কাছেই জমা দেবেন। এরপর সংবিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবে।
নিজের সফর নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ করে দেশে ফেরার কারণ ব্যাখ্যা করে স্পিকার জানান, চিকিৎসাসংক্রান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ হওয়ায় এবং ঢাকায় কিছু ব্যক্তিগত কাজ থাকায় তিনি আগেই ফিরে এসেছেন।
উল্লেখ্য, গত ১৯ জুলাই চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে যান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তবে নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগেই তার দেশে ফিরে আসাকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকারই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
স্পিকার, রাষ্ট্রপতি, পদত্যাগ