দানবের পা নগ্ন উল্লাসে,
পিষ্ট করে মানবতা,
দিয়ে যায় জীবনের ছাড়পত্র।
বিশ্ব বিবেক পক্ষাঘাত গ্রস্থ রোগীর মতো
প্রতিক্রিয়াহীন তাকিয়ে থাকে শুধু ,
প্রসূতি মায়ের একপাশে সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশু
অন্য পাশে বোমায় নিহত স্বামীর নিথর দেহ,
তাদের কোনো আনন্দ নেই,তাদের কোনো স্বপ্ন নেই,
তাদের আনন্দের রঙে লেগে থাকে মাতম।
আহত শিশুর দীর্ঘশ্বাস,
আকাশের ভাঁজে ভাঁজে লিখে রাখে
স্রষ্টার কাছে অভিযোগপত্র,
আশায় থাকে তারা,হয়তো কোন একদিন
এই অভিযোগপত্রের সমাধান দিতে
স্রষ্টা পাঠাবেন কোন এক মুক্তির দূত।
দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া সে মানুষদের জীবনে
হয়তো একদিন আসবে উৎসবের আমেজ,
পৃথিবী নামক গ্রহে রক্তের রঙ ছাড়া
আছে সুখের রঙ,
হয়তো সেদিন জানবে তারা।
কিন্তু সেদিন কতো দূরে আর.....
সেদিন আনতে আর কতো রক্তের বৃষ্টি ঝরবে?
আর কতো শিশু হারাবে মায়াময় শৈশব,
ভালোবাসার আশ্রয়স্থল?
আর কতো নারী পরবে বৈধব্যের বেশ,
আর কতো মায়ের কোল ভরে যাবে শূন্যতায়?
আর কতো পিতা কাঁধে তুলবে ছেলের লাশ?
বইবে পৃথিবীর ওজনের চেয়ে বেশি সে কষ্টের বোঝা,
পূণ্য ভূমি ফিলিস্তিন,তুমি আর কতো কাঁদলে
থেমে যাবে শোষণের জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরি?
আর কতো? আর কতো?