গভীর শিবের মতো জেগে ওঠে একরোখা মানুষ
আকাশে তন্দ্রা লাগে, চাঁদ শুধু জানে অক্ষর
নিশিথ রাত্রি আজ, এ-রাত্রি খুলেছে সব ডোর
বিরহ বিরহ বাজে, বিপুল বেদনা বেলোয়ারি
আকাশ নিবিড় পানি, ঈশ্বর পায়চারি করেন
সব অসুখ ভিজে যায়, পূর্বের রমণী তানপুরা
শঙ্খের মতো ধীর, ধীর স্থির সুনিবিড় জাহান
কে যেন কবিতা লেখে, আহা! যেন মৃত্তিকার মাঝি
নৌকার ছড় টানে, সুর তার 'সুর' হয় আজি
দূর দূর ছড়িয়েছে জড়িয়েছে নালন্দার ছবি
টোল ধরে দাঁড়িয়ে যেন একাকী নীরব সেই কবি
গঘের হিমেল রাত দুচোখে কাজল করে পরে
সমস্ত অপমান ধার্য করেছে শরীরে
আজ রাত প্রেমিকার
আজ রাত কলঙ্কের সই
তোমার দেহের যত ব্যথা আছে, আমার তা কই!
গভীরের শিব তুমি, সত্যবান, তুমি অহংকার
একরোখা নাভিমূলে জন্ম নাও আবার আবার