রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় কিরিশি শোধনাগারে অগ্নিকাণ্ড, নতুন করে রুশ জ্বালানি খাত চাপে

  • আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • ২০২৫-০৯-১৪ ২২:৫৮:৪০
ছবি: সংগৃহীত।

রাশিয়ার লেনিনগ্রাদ অঞ্চলে ইউক্রেন ব্যাপক ড্রোন পাল্টা হামলা চালিয়েছে। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে টানা ৩৬১টি ড্রোন পাঠানো হয়, যার মূল লক্ষ্য ছিল কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কিরিশি তেল শোধনাগার। এতে অন্তত তিনটি ড্রোন ভূপাতিত হয়ে শোধনাগার এলাকায় আগুন ধরে যায়। তবে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও ক্ষতির পূর্ণ চিত্র এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী সব ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এছাড়া চারটি গাইডেড বোমা এবং একটি মার্কিন তৈরি হিমার্স ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার দাবি করেছে তারা। তবুও ইউক্রেনের ড্রোন কমান্ড নিশ্চিত করেছে, তাদের লক্ষ্যবস্তু ছিল কিরিশি শোধনাগার এবং একে তারা “সফল আঘাত” বলে আখ্যা দিয়েছে।
সুরগুতনেফতেগাজের মালিকানাধীন কিরিশিনেফতেওর্গসিনতেজ শোধনাগারটি রাশিয়ার অন্যতম বৃহৎ স্থাপনা, যার বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১ কোটি ৭৭ লাখ টন। দেশটির মোট উৎপাদনের প্রায় ৬.৪ শতাংশ জ্বালানি আসে এখান থেকে। এজন্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইউক্রেন শোধনাগারটিকে কৌশলগত টার্গেট হিসেবে বেছে নিয়েছে।
ঘটনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে রাশিয়ার জ্বালানি খাতকে চাপে ফেলতে উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ন্যাটো সদস্যদের সম্মিলিতভাবে রুশ তেল কেনা বন্ধ করতে হবে এবং অতিরিক্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত।
ইতোমধ্যেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন ঘোষণা দিয়েছে, ২০২৮ সালের মধ্যে তারা রুশ তেল ও গ্যাস আমদানি বন্ধ করবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র চাইছে, এই সময়সীমা আরও কমিয়ে আনা হোক। ফলে রাশিয়ার জ্বালানি খাত ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে চাপ ও উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে।

কীওয়ার্ডস:
ইউক্রেন ড্রোন হামলা, কিরিশি শোধনাগার, রাশিয়া তেল সংকট, ডোনাল্ড ট্রাম্প নিষেধাজ্ঞা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন


এ জাতীয় আরো খবর