কোম্পানীগঞ্জ(নোয়াখালী)প্রতিনিধি।
আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাটে মসজিদের ওয়াকফ ও ব্যাক্তি মালিকানাধীন সম্পত্তি গভীর রাতে জবর দখল করার অভিযোগ উঠেছে মাওলানা মিজানুর রহমান রাজুর বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বসুরহাট পৌরসভা ৩নং ওয়ার্ড করালিয়া বাইপাস সড়ক সংলগ্ন সুলতান আহমদ জামে মসজিদের ওয়াকফ সম্পত্তি জবর দখলের অভিযোগ করেন, মসজিদের মোতওয়াল্লী নুরুর রহমান। এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর ওয়াকফ সম্পত্তি জবর দখলের ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত মাওলানা মিজানুর রহমান রাজু বসুরহাট পৌরসভা ৩নং ওয়ার্ড জামায়াতের ওলামা বিভাগের সেক্রেটারী। তবে মিজানুর রহমান রাজু জামায়াতের রাজনীতি থেকে মৌখিক পদত্যাগ করেছেন বলে দাবী করেন।
সুলতান আহমদ জামে মসজিদের মোতওয়াল্লী নুরুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, জামায়াত নেতা মাওলানা মিজানুর রহমান রাজু দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সন্ত্রাসী দিয়ে গভীর রাতে মসজিদের ওয়াকফকৃত ও তার ব্যাক্তি মালিকানা জমিতে মাঠ ভরাট করে জবর দখল করে। এর আগে ভুক্তভোগী নুরুল রহমান নোয়াখালীর আদালতে ২০০৬ সালে দেওয়ানী মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-৪৮)। ওই মামলার পর আদালত মামলার রেফারেন্সে ৫৭-২০০৭নং নিষেধাজ্ঞা মামলার আবেদন করলে, আদালত ০১/০৭/২০০৮ সালে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নালিশি সম্পত্তিতে স্থিতি অবস্থা জারি করেন নুরুর রহমানের পক্ষে। কিন্তু জামায়াত নেতা মিজানুর রহমান রাজু আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গত ১ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে বহিরাগতদের নিয়ে মসজিদের ওয়াকফ সম্পত্তি ও মোতওয়াল্লী নুরুর রহমানের ব্যাক্তিগত সম্পত্তি জবর দখল, মাটি-বালুতে ভরাট করে। এ নিয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানায় ভুক্তভোগি নুরুর রহমান অভিযোগ দায়ের করার পর ২ সেপ্টেম্বর রাজনৈতিক ও গন্যমান্য ব্যাক্তি নিয়ে একটি শালিশ বৈঠক বসে। ওই বৈঠকের সিদ্ধান্তও অমান্য করে জামায়াত নেতা মিজানুর রহমান রাজু তার সহযোগিরা নালিশি সম্পত্তিতে মাটি ও বালি ভরাট অব্যাহত রাখে। ভুক্তভোগি নুরুর রহমান জবর দখলকারী জামায়াত নেতা ও তার সহযোগিদের বিরুদ্ধে প্রতিকার চেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ফখরুল ইসলাম, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জামায়াতের ওলামা বিভাগের সেক্রেটারী মাওলানা মিজানুর রহমান রাজু জবর দখলের বিষয়ে অস্বীকার করে বলেন, তিনি নিজ জায়গার ওপর মাটি ও বালু ভরাট করেন।