শারদী কাশের সম্ভার শুধু নয়
যেন গোলাপরঙা মেঘেদের কলতান,
মাঠ জুড়ে মেঘ,মেঘেদের লোকালয়
ধবল মেঘেরা শুয়ে আছে দিক ভুলে,
এই পৃথিবীর সবুজিয়া প্রান্তরে,
কাশফুল হয়ে শরতের সাদা মেঘ
পতাকা ওড়ায় পৃথিবীর ধুলো পথে।
মেঘের ডানায় ভর করে নামে শুভ্র কাশের সারি।
শান্তি নামের অনুকণা হয়ে মগ্ন পাপড়ি ঝরে,
পথে পথে রাখে হিম সাদা তার ধূসর ধুলোর চরণ,
বেলা অবেলার দিগন্ত ছোঁয়া আাকাশ মেলানো নীলে।
আকাশ হতে নেমে আসা দুর আকাশ নীলের তারা রুপালী আলোর -,
হঠাৎ কখনো তারা ভেবে ভুল হয়-
কখনো রাতের নক্ষত্র সৌরভে হৃদয় গহীনে আলোর প্লাবন জাগে,
কাশপুল ভরা মৌসুম যেন লক্ষ তারার রাত।
আকাশ পৃথিবী একাকার যেন সাদা মেঘ,
সাদা কাশফুল আর রুপালী আলোর হঠাৎ তারার রাতে।
এই শারদীয়া পৃথিবীর পথে পথে ধুলোকণা আার
অবাক কাশের মগ্ন পাপড়ি কণায় কি দারুণ মাখামাখি।
সীমাছাড়া এক শুভ্র বিজয় মিছিল,
সব মানুষের হৃদ গহীনে আলোর পরশ রাখে।
কখনো আকাশ নীলের চাদরে মঞ্চ সাজায়
সামনে অবাক অশেষ কাশের সারি নীরব শ্রোতারা যেন
নৃত্যে, লিপিতে, সংগীতে অবিরত- দিনের ক্লান্তি
অবসাদে রাখে হৃদস্পম্দন- আনন্দ মূর্ছনা।
এত ফুল এত অবাধ ফুলের অমিয় আকাশ কথন
মেঘ বালিকার অঙ্গুলি যেন সফেদ সাগর,
দোলায়িত ঢেউ, ধ্রুপদী কথার মালা।
তর তাজা লেবু - গ্লাস ভরা যেন সরবত হিম সাদা
এক চুমুকেই পান করা যায় এমনই সে কাশবন -
নম্র নিথর শান্তি কণার ঢেউ,
হিমেল শীতল ঠান্ডা ছোঁয়ায় ভরে যায় মন প্রান।
শারদী আকাশ অমলিন উচ্ছ্বাসে কিযে যাদুটোনা করে যায়
দিন শেষ হয় শরত ফুরোয়, নতুন বছর আসে
আমি পৃথিবীর পথ চলি
কবে কাশফুল হাসবে আবারো শারদী সুবাস ঘিরে।
আকাশ হতে নেমে আসা দুর আকাশ নীলের তারা
শুভ্র চেতনে আবার কখনো মেলে দেয় যদি ডানা।