ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি ঃ জীবনের সুবর্ণ প্রভাতে যেখানে সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন বোনার কথা ছিল, সেখানে আজ মরণব্যাধি ক্যান্সারের থাবায় নিভে যেতে বসেছে এক প্রাণোচ্ছল তরুণীর জীবনপ্রদীপ। খুলনার ফুলতলা উপজেলার খানজাহান আলী থানাধীন মশিয়ালী এলাকার অতি দরিদ্র ঝালমুড়ি বিক্রেতা মোঃ ফুরকান শেখ-এর ১৯ বছর বয়সী মেয়ে লাইলী খাতুন বর্তমানে মরণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে বিছানায় শয্যাশায়ী।
নিত্যদিনের অভাব-অনটনের মাঝেও একমাত্র মেয়ের মুখের হাসি দেখে সকল ক্লান্তি ভুলে থাকতেন দিনমজুর পিতা ফুরকান শেখ। কিন্তু মরণব্যাধি ক্যান্সার সেই হাসিমুখ কেড়ে নিয়ে গোটা পরিবারকে ফেলে দিয়েছে এক গভীর অন্ধকার সাগরে। দিন এনে দিন খাওয়া পিতার পক্ষে মেয়ের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সাধ্যের সবটুকু উজাড় করে চিকিৎসকের দ্বারে দ্বারে ঘুরে আজ তিনি নিঃস্ব ও দিশেহারা।
ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ গোলাম কিবরিয়া মিন্টু। শনিবার (১ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি মশিয়ালী এলাকায় ফুরকান শেখের বাড়িতে সশরীরে উপস্থিত হন। সেখানে গিয়ে তিনি অসুস্থ লাইলী খাতুন ও তাঁর পরিবারের সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং কান্নায় ভেঙে পড়া হতদরিদ্র ফুরকান শেখের কথা মনোযোগ সহকারে শোনেন।
ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ গোলাম কিবরিয়া মিন্টু বলেন,"দুস্থ, অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে জবেদা কাদের ফাউন্ডেশন সবসময় থাকবে। যারা সমাজের বিত্তবান ও মানবিক গুণসম্পন্ন ব্যক্তি, তাদের উচিত এই চরম বিপদে অসহায় মানুষের পাশে এসে দাঁড়ানো এবং আর্থিক সহায়তা করা। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় হয়তো একটি উদীয়মান প্রাণ বেঁচে যেতে পারে।"
পরিদর্শনকালে জবেদা কাদের ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান নগদ আর্থিক সহায়তার অর্থ অসুস্থ লাইলী খাতুনের পিতা শেখ ফুরকানের হাতে তুলে দেন এবং তরুণী লাইলীর দ্রæত সুস্থতা কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করেন।
এ সময় ইস্টার্ন জুট মিলের সাবেক সিবিএ নেতা মোঃ জাকির হোসেন, খান মোঃ মোজাম্মেল হক মোজাম, মোল্লা মোকসেদ আলী, মোঃ সোহেল আজমসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।