সোমবার, জুন ২৯, ২০২৬

বিশ্বকাপ জিতলেই থামবে সমালোচনা:নাগেলসম্যান

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • ২০২৬-০৬-২৯ ১১:১৩:৫২
ফাইল ছবি

জার্মানিকে ঘিরে সব ধরনের সমালোচনা ও সংশয় দূর করার একমাত্র উপায় বিশ্বকাপ জেতা বলে মন্তব্য করেছেন দলের প্রধান কোচ জুলিয়ান নাগেলসম্যান। শেষ-৩২ পর্বে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
গ্রুপ পর্বে কুরাসাওকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দেওয়া এবং আইভরি কোস্টকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই নকআউট নিশ্চিত করেছিল জার্মানি। তবে শেষ ম্যাচে ইকুয়েডরের কাছে ২-১ গোলে হারের পর দলটির শিরোপা সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
সোমবার বোস্টনে অনুষ্ঠিতব্য শেষ-৩২-এর লড়াইয়ে প্যারাগুয়েকে হারাতে পারলে শেষ-১৬-তে ফ্রান্সের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে পারে জার্মানি।
ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে নাগেলসম্যান বলেন, জার্মান জাতীয় দলের লক্ষ্য সব সময়ই প্রতিটি ম্যাচে জয়। তাই আপাতত তাদের পুরো মনোযোগ প্যারাগুয়ের বিপক্ষে জয় তুলে নেওয়ার দিকেই। তিনি বলেন, প্রত্যাশার চাপ সামলাতে আত্মবিশ্বাস ধরে রাখা, কার্যকর পরিকল্পনা করা এবং খেলোয়াড়দের সেরা পারফরম্যান্স বের করে আনার পরিবেশ তৈরি করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
তার ভাষায়, ফুটবলে শেষ পর্যন্ত জয়ই সবকিছুর মাপকাঠি। জিতলে সবকিছু ইতিবাচক মনে হয়, আর হারলেই সমালোচনা শুরু হয়। তাই জয় ছাড়া অন্য কিছু ভাবছেন না তারা।
ইকুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে আত্মসমালোচনাও করেছেন জার্মান কোচ। শুরুতে এগিয়ে থেকেও দল কৌশলগত ভুল করেছে বলে স্বীকার করেন তিনি। তবে সেই পরাজয়ের কোনো নেতিবাচক প্রভাব বর্তমান দলে নেই বলেও দাবি করেন।
নাগেলসম্যান বলেন, অনুশীলনে খেলোয়াড়দের নিবেদন ও মনোভাব তাকে আশাবাদী করেছে। তার বিশ্বাস, প্যারাগুয়ের বিপক্ষে সবাই নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দেবে।
প্রথম দুই ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমে তিন গোল ও দুটি গোলে সহায়তা করা কেই হাভার্টজ এবার শুরুর একাদশে জায়গা পেতে পারেন। আর্সেনালের এই ফরোয়ার্ডের জন্য এটি হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে প্রথম ম্যাচ, কারণ আগের দুই আসরেই গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল জার্মানি।
হাভার্টজ বলেন, বড় ম্যাচে খেলতেই তিনি সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। কেন এমন হয়, সেটি তিনি নিজেও জানেন না। তবে বড় মঞ্চে নিজের সেরাটা তুলে ধরতে পারলেই তিনি সন্তুষ্ট থাকেন।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দুটি ফাইনালে গোল করা এই ফরোয়ার্ড আশা প্রকাশ করেন, বিশ্বকাপের নকআউট পর্বেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারবেন।
কুরাসাওয়ের বিপক্ষে জোড়া গোল করা হাভার্টজ স্বীকার করেন, ফ্লোরিয়ান রিটজ ও জামাল মুসিয়ালাকে নিয়ে জার্মানির আক্রমণভাগ এখনো প্রত্যাশিত ছন্দে পৌঁছাতে পারেনি। চোট এবং ক্লাব ফুটবলের নানা কারণে তিনজনের সমন্বয়ে কিছুটা ঘাটতি থাকলেও প্রতিদিন তা নিয়ে কাজ করছেন তারা।
তিনি বলেন, কোথায় উন্নতির সুযোগ রয়েছে, তা নিয়ে নিয়মিত নিজেদের মধ্যে আলোচনা হয়। নিজেদের পূর্ণ সামর্থ্য এখনো দেখানো হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, প্যারাগুয়ের বিপক্ষে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে চান তারা।

জার্মানি, নাগেলসম্যান, বিশ্বকাপ


এ জাতীয় আরো খবর