শুক্রবার, জুন ২৬, ২০২৬

আশুরার শিক্ষা সম্প্রীতি ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের আহ্বান: প্রধানমন্ত্রী

  • সকালের আলো প্রতিবেদক
  • ২০২৬-০৬-২৬ ১১:০৫:৫৮
ছবি: সংগৃহীত।

পবিত্র আশুরার চেতনা ধারণ করে সমাজে সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ইসলামের মৌলিক শিক্ষা শান্তি, ন্যায়, মানবকল্যাণ ও সহমর্মিতার ওপর প্রতিষ্ঠিত। তাই বিভেদ, বিদ্বেষ, হানাহানি কিংবা সামাজিক বৈরিতার কোনো স্থান ইসলামে নেই।
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আশুরা কেবল শোক পালনের দিন নয়; এটি সত্য, ন্যায়, ধৈর্য, আত্মত্যাগ ও নৈতিক দৃঢ়তার চিরন্তন বার্তা বহন করে। এই শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে ধারণ করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
তারেক রহমান বলেন, কারবালার ঘটনা মানবসভ্যতার ইতিহাসে এমন এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়, যা যুগে যুগে মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ় থাকতে এবং অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে দাঁড়াতে অনুপ্রাণিত করেছে।
তিনি আরও বলেন, প্রায় চৌদ্দশ বছর আগে কারবালার প্রান্তরে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসাইন (রা.) পরিবার ও বিশ্বস্ত সঙ্গীদের নিয়ে জুলুম, অন্যায় ও স্বৈরাচারের কাছে মাথা নত না করে শাহাদাত বরণ করেন। তাঁর এই আত্মত্যাগ কারবালাকে সত্য ও ন্যায়ের সংগ্রামের এক চিরন্তন প্রতীকে পরিণত করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবিক মর্যাদা, ন্যায়বিচার এবং আদর্শের প্রতি অবিচল থাকার যে শিক্ষা কারবালার ঘটনা দিয়েছে, তা আজও সমগ্র মানবজাতির জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে রয়েছে। আশুরার মহান আদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, ভ্রাতৃত্ব, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করার আহ্বান জানান তিনি।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসাইন (রা.)-এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একই সঙ্গে কারবালার প্রান্তরে শাহাদাতবরণকারী তাঁর পরিবারের সদস্য ও সঙ্গীদের পবিত্র স্মৃতির প্রতিও বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।
এ ছাড়া পবিত্র আশুরা উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর প্রতি আন্তরিক সমবেদনা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

পবিত্র আশুরা, কারবালা, সম্প্রীতি

 


এ জাতীয় আরো খবর