কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালালদের দৌরাত্ম্য যেন কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না। সম্প্রতি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হাসনাত আব্দুল্লাহ হস্তক্ষেপ করলেও পরিস্থিতির তেমন কোনো উন্নতি হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালের মূল ফটক থেকে শুরু করে ভেতরের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও পরীক্ষাগার পর্যন্ত দালালদের অবাধ বিচরণ রয়েছে। তারা রোগী ও তাদের স্বজনদের টার্গেট করে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে বাইরে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাচ্ছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, হাসপাতালের কিছু অসাধু কর্মচারীর যোগসাজশে এই দালাল চক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়। সাধারণ রোগীরা সঠিক সেবা পাওয়ার আশায় হাসপাতালে এলেও দালালদের খপ্পরে পড়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এ বিষয়ে এলাকাবাসীর অভিযোগ, “বারবার অভিযোগ করা হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। মাঝে মাঝে অভিযান চালানো হলেও কিছুদিন পর আবার আগের মতোই দালালদের দৌরাত্ম্য শুরু হয়।”
এদিকে, হাসনাত আব্দুল্লাহর সাম্প্রতিক হস্তক্ষেপের পর কিছুদিন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও বর্তমানে আবারও আগের অবস্থায় ফিরে গেছে বলে জানা গেছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছেন, দালালদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে বাস্তবে এর প্রতিফলন কতটা ঘটবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধে জরুরি ভিত্তিতে কঠোর ও স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। অন্যথায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।