রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

নেপালে পার্লামেন্ট বিলুপ্তি নিয়ে রাজনৈতিক অচলাবস্থা, আট দলের পুনর্বহালের দাবি

  • আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • ২০২৫-০৯-১৪ ১০:১৩:০৪
ছবি: সংগৃহীত।

নেপালের প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাদেলের ঘোষণায় পার্লামেন্ট বিলুপ্তির সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক দাবি করে পুনর্বহালের দাবি তুলেছে দেশটির আটটি প্রধান রাজনৈতিক দল। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) এক যৌথ বিবৃতিতে নেপাল কংগ্রেস, সিপিএন-ইউএমএল, মাওয়িস্ট সেন্টারসহ প্রথম সারির দলগুলো জানায়, জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি ছাড়া পার্লামেন্ট বিলুপ্তি বৈধ নয়।
রাজনৈতিক অস্থিরতার সূত্রপাত হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে। ফেসবুক, ইউটিউবসহ ২৬টি প্ল্যাটফর্ম বন্ধ করে দেওয়ার পর থেকেই দেশব্যাপী বিক্ষোভ শুরু হয়। পুলিশের গুলিতে প্রাণহানি, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতায় গত কয়েক দিনে ৫১ জন নিহত এবং দেড় হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। একই সময়ে দুই হাজারের বেশি কয়েদি কারাগার থেকে পালিয়ে যায়, যাদের মধ্যে অনেককে পরে আটক করা হয়েছে।
অলি পদত্যাগের পর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি শপথ নেন। তবে তার শপথের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রেসিডেন্ট পার্লামেন্ট বিলুপ্ত করে ২০২৬ সালের ৫ মার্চ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেন।
প্রধান দলগুলোর দাবি, প্রেসিডেন্টের এ সিদ্ধান্ত শুধু সংবিধানবিরোধী নয়, বরং নেপালের বিচার বিভাগের পূর্ববর্তী রায়গুলোর সঙ্গেও সাংঘর্ষিক। যদিও রাজধানী কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন স্থানে পরিস্থিতি এখন কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে, তবুও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অচলাবস্থার কারণে দেশটিতে স্থায়ী শান্তি আসবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা রয়ে গেছে।

কীওয়ার্ডস:
নেপাল পার্লামেন্ট, রাজনৈতিক সংকট, প্রেসিডেন্ট পাদেল, সুশীলা কার্কি, বিক্ষোভ


এ জাতীয় আরো খবর