একটা শেষের কাব্য লিখতে বসে
বুঝলাম, শেষ বলে কিছু হয় না !
দিগন্ত ছোঁয়া গোধূলি আকাশ
ফিরে আসার প্রতিশ্রুতিটুকু রেখে,
একটা নক্ষত্র রাত আমাদের উপহার দিয়ে যায়।
কাল দেখা হচ্ছে বলে
যে প্রেমিক জনারণ্যে হারিয়ে যায় !
তাকে যাপন করি পদ্য লেখার অবসরে।
আবার শুরু, আবার অন্বেষণ।
শেষ রাতে, ভরা চাঁদের প্রার্থনা নিয়ে,
একটা কদম গাছ খুঁজি।
মোহন বাঁশি বেজে ওঠে ঠিক !
রেল লাইনের ধারে, অন্ধ ভিখারিনী আমার স্পর্শ সুখ খোঁজে !
কবে কোন গ্রীষ্মের দাবাদহে,
ওকে ছায়াতলে বসিয়ে চা খাইয়ে ছিলাম !
ওইখান থেকে আমার দিবারাত্রির কাব্য শুরু হয় !
আমি, আমরা চলে যাবো,
জলরঙে আঁকা উদাস ধরণী
আবার শুরু করে একটি মহাকালের কাব্য !
কদম গাছ, ঘাসফুল, জলফড়িং
শঙ্খধ্বনি আর আজানের সুরে
গঙ্গা মেঘনা ততক্ষণে তৈরি করুক,
আর একটা শুরুর কাব্য, প্রেমের কাব্য !