ক্রমশ ব্যাথার শীলমোহর পড়েই চলেছে আমার
চোখে- মুখে -উস্কো খুস্কো চুলে প্রতিক্ষণ!
চোখের ডার্ক সার্কেল
মস্তিক কে শাক্ষ্য দেয়.......... ধর্মাবতার!
চোখের পানে চেয়ে দেখুন!
মনে হচ্ছেনা কি, চাঁদে গ্রহণ লেগেছে!
আমাকে একদমই যত্ন করেনা।
আচ্ছা! কি করে করবো?
রাতে যে ঘুম নেই একদমই!
সারারাত বই পড়ে না হয়
কফির পাত্রে মুখ গুঁজে পড়ে থাকি।
কখন যে বইয়ের উপর মাথা রেখে
ঘুমিয়ে পড়ি টেরই পাইনা।
প্রভাতের রাঙা আলো ফোঁটা আর দেখা হয়না।
নেতিয়ে পড়ি রোদে জ্বলা শিউলির মতো,
বিনিদ্র রাতের ধর্ষিত হওয়া
বেড কাভার আর বালিশের মৌনতার কাছে,
পরাজিত হই প্রতিদিন।
এভাবেই তো যাচ্ছে দিনগুলো!
অতঃপর!
হেরে যায়, জ্যোৎস্নার গন্ধ, রুপালি চাঁদ,
ঝিরিঝিরি বাতাস।
বদ্ধ পিঞ্জিরার আধো-অন্ধকারে পড়ে,
মায়াবী হাতছানি গুলো দেখা হয়না আর।
রাতের বদ্ধ আধার আমায় নিষ্পেষণ করে,
আমি হেরে যাই নিয়তির কাছে।
না চাইতেও বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে
ব্যাথার আতর খুব দ্রুত।
ঘ্রাণ পাচ্ছো কি? বেদনার অনলে
হৃদয় পোড়ার গন্ধ!
একটু একটু করে বারবিকিউ করছি
এই নষ্টালজিক
প্রেমের হৃদপিণ্ডটা, কঠিন করবো বলে।