বিশম্ভরপুর আদাং গ্রামে চাদাঁ না দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধর
- সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
-
২০২১-০৫-১০ ০৪:১৩:২৭
- Print
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের বিশম্ভরপুর আদাং গ্রামে চাদাঁ না দেওয়ায় এক ব্যবসায়ীকে মারধর করে টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়া এবং জোর পূর্বক বালু বিক্রয় করার অভিযোগ উঠে। এতে ড্রেজার দিয়ে বালু বিক্রয় করায় পুলিশ সুপার ও থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।
গত শনিবার (৮ মে) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনায় বিশম্ভরপুর থানাধীন আদাং গ্রামের বাসিন্দা মৃত সাহাব উদ্দিনের ছেলে বালু ব্যবসায়ী জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে ৪ জনকে পুলিশ সুপার বরাবর অভিযুক্ত করে। এতে বিশম্ভরপুর থানায় আলাদা দুটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
অভিযুক্তরা হলেন আদাং গ্রামের বাসিন্দা মৃত আব্দুল বারেকের ছেলে নূর হোসেন(৫০), মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে বাবুল মিয়া(৩৫), রুবেল মিয়া (২৫), ডলুরা গ্রামের মৃত আব্দুল বারেকের ছেলে আমির হোসেন (৪০)সহ অজ্ঞাত নাম আরও ৪জনকে রেখে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়।
জানা যায়, জালাল উদ্দিন একজন বালু ব্যবসায়ী হন নিজের নামে রেকডিও বিশম্ভরপুর উপজেলার রতারগাও মৌজা,যার চলমান জে এল নং২৮,খতিয়ান নং-৮৫৪,বর্তমান দাগ নং-১২৩৩,১২৫৩,পরিমান ২.১৪ একর যা আদাং নদীর তীরে অবস্থিত জায়গা রয়েছে এবং পার্শবর্তী ভ’মির মালিক অভিযুক্ত বাবুল মিয়াগংদের জায়গাও রয়েছে।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন সময়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ব্যবসায়ী জালাল মিয়ার কাছে ৫০হাজার টাকা চাদাঁ দাবী করে এবং টাকা দেওয়ার জন্য তাকে চাপ দিতে থাকে। চাদাঁ দিতে অপরাগতা প্রকাশ করায় বিবাদীগংরা মিলে জালাল উদ্দিনের বালু রকম ভুমি জোর পূর্বক ড্রেজার মেশিন দ্বারা নৌকা দিয়ে বালুউত্তোলন করে বিক্রি করতে থাকে। ঘটনার দিন খবর পেয়ে জালাল উদ্দিন গত ৮মে বিকেলে আদাং গ্রামে নদীর পাড়ে গিয়ে তার থেকে বালু উত্তোলন করতে বিবাদীদের বাধাঁ দিতে গেলে বিবাদীগংরা তাকে মারধর করে নগদ ৪০হাজার টাকা একটি মোবইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায় এবং জালাল উদ্দিনকে মারধর করে আহত করে প্রাণে মারার হুমকি দেয় বলে অভিযোগে সুত্রে জানা যায়।
ঘটনার পর আহত অবস্থায় জালাল উদ্দিন সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে ৯মে রবিবার পুলিশ সুপার এবং বিশম্ভরপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
এব্যাপারে বিশম্ভরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ সুরঞ্জিৎ তালুকদার বলেন অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার সত্যতা পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।