এখনো পরাজিত নয় মানুষ! এই পৃথিবী মানুষের, মানুষের অধিকারে থাকবে বিপ্লব, বিরহ, মায়া।
আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ননিয়ে মানুষই গড়ে তুলবে এক মানবিক পৃথিবী।
প্রেম,মমতা, সমতায় মানুষই সুখি হবে, রাজা হবে মানুষ,
রাণী ফিরে পাবে তার রাজত্ব,
করিডোরে বাক্সেতোলা নীল শাড়ি পড়া মেয়েটির কু্ঁচির ভাঁজে যে ভালোবাসার সুগন্ধি ভেসে আসবে তাতে দূরে অপেক্ষায় থাকা যুবকের নিগম ভরে শুদ্ধাচার ফুটে উঠবে
আর হায়েনার মাংশাসী মনন পুড়ে যাবে করোনার করুণ ছোবলে।
ঘরে থাকা মানুষেরা জানলার ফুকোট দিয়ে একদল বৃষ্টিপ্রেমিকের প্রেমপদ্যের পাতাঝরা পাতার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে আনমনে তাদের অতীতে ফিরে যাবে। ঘরে ঘরে সুখের সুর ভরে উঠবে, বাগানে বাহিরে শান্তির স্বর, আবারো একান্নসুরে মানুষ মিলিত হবে।
মানুষেরা না আর যুদ্ধংদেহি, না বায়োলজিক্যাল বোমার ইতিহাস পাঠ করবে, তারা পড়বে প্রেমপদ্য, একপাতা মানুষ হয়ে ওঠার পদ্য।
আজ যে যন্ত্রণাদীর্ণ গদ্যে অতিষ্ঠ অস্থির জীবন, সে জীবন ভুলে যাবে অহিংস আখ্যানে, আঙুলের অলিগলিতে সে জীবন ব্যথা ভুলে ভালেবাসায় ভরে উঠবে, দূর নয় সে খোয়াব, দূর নয় সে দিন! খোয়াবনামা সত্যি!
নিত্যানন্দে নেচে ওঠবে,
কাক ও কোকিলের পিরিতি জমে যাবে,
কালো আলোয় বিশ্বাসী হয়ে উঠবে,
মানুষেরা মানুষ হয়ে মানবিক হয়ে উঠবে।
বায়োলজিক্যাল বোমা, পারমানবিক বোমাগুলো বিদ্রোহী হয়ে ভালোবাসার বোমা হয়ে মানুষ থেকে মানুষের মননে মিশে যাবে,
এ খোয়াবনামা খোয়াব নয়, বসন্তের ঝরাপাতায় ঝরে পড়া শুকনো বিলাপ নয়, সত্যি তা শুকনোপাতার প্রেমপদ্যের পারিজাত হয়ে পৃথিবী প্রেমিকের পরার্থে প্রিয় হয়ে উঠবে,
আহ আজ এই আহাজারিতে---এই খোয়াবনামা একদিন মনোনামা হয়ে মনদাগাবে,
দেখো নিও বন্ধু তুমি, আকাশের সাথে মাটির মিতালী কতো মধুর,
কতো প্রণয় জমে!
মিলিয়ে নিও মানুষের সাথে মনুষত্বের মিলন, করিডোরে দাঁড়িয়ে ইউটার্ন মেয়েটির তুমুল প্রেম প্রেমিকের সাথেই কেমন করে ভাঁজে ভাঁজে গন্ধ ছড়ায়।
দেখে নিও এই পৃথিবী আবারো হেসে উঠবে, আবারো চল হচ্ছে সবুজ ঘাসে নরমশিশিরে যুবক-যুবতির কোমল পায়ের ছাপ,
দেখে নিও স্পষ্ট রেখে যাচ্ছে তারা আমাদের আগামি!