চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম শুরু করেছে ঘূর্ণিঝড় ‘হামুন’ এর অগ্রভাগ
- সকালের আলো প্রতিবেদক
-
২০২৩-১০-২৪ ১৯:৩৩:৪৭
- Print
চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম শুরু করেছে ঘূর্ণিঝড় ‘হামুন’ এর অগ্রভাগ। এ কারণে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলে স্বাভাবিকের চেয়ে উঁচু জলোচ্ছ্বাস হতে পারে।
ঘূর্ণিঝড়টি বিকেলে বাংলাদেশ উপকূলের ১৮০ কিলোমিটারের মধ্যে চলে আসে। সন্ধ্যায় ঝড়টি প্রবল হয়ে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম শুরু করে।
বিকেলের পর ঘূর্ণিঝড়টি গতিপথ বদল করে। পায়রা ও মোংলার দিক থেকে গতি বদলে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের দিকে অগ্রসর হয়। এর ফলে এই দুই বন্দরে বিপদ সংকেত কমিয়ে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে বাজারে বাড়ানো হয়। আবহাওয়া অফিস বলেছে, ঘূর্ণিঝড়টির মূল অংশ রাত ৯টার মধ্যে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এ অঞ্চলে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। তবে উপকূল অতিক্রমের সময় ঘূর্ণিঝড়টি দুর্বল হয়ে যাবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩-৫ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ু তাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।
এর প্রভাবে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। অতি ভারী বর্ষণের প্রভাবে কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামের পাহাড়ী অঞ্চলের কোথাও কোথাও ভূমি ধ্বস হতে পারে।
উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।