ইহুদিরা ইউরোপের নানা দেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিলো। তাদের নিজেদের রাষ্ট্র বলে কিছু ছিল না। নানা কারণে ইহুদিদের প্রতি খ্রীষ্টানদের বিরূপ মনোভাব ছিল। ইউরোপে ইসরায়েলেরা ছিল নিপিড়িত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে গ্রেড ব্রিটেন সাম্রাজ্যবাদী অবস্থান থেকে ইহুদিদের জন্যে একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে। তাহারা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা ইহুদিদের জন্যে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে। যেখানে আদিকাল থেকে বসবাসকারী ফিলিস্তিনি জনসাধারণকে উৎখাত করে সেখানে ইহুদিদের বসবাস করার ব্যবস্থা করে। সেই ১৯৪৮ সাল থেকে ফিলিস্তিনিরা রাষ্ট্রহীন অবস্থায় পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রগুলোতে আশ্রয় নেয়। তাদের দুর্দশা অন্তহীন। তারা তাদের মাতৃভূমি ফিরাবার জন্য আন্দোলন করে আসছে। উদ্বাস্তু ফিলিস্তিনিদের প্রতি অত্যান্ত নির্দয় আচরণ করেছে। ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে যখন সংঘাত দেখা দিয়েছে তখন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদীরা এবং পরে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদীরা সে সংঘাতকে যুদ্ধে রূপ দেয়। যুদ্ধ চালাতে গিয়ে ইসরায়েলিরা ও ফিলিস্তিনেরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে চলে। মাঝে মাঝে যুদ্ধ-সংঘাত থেমে থাকে। জাতিসংঘ শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন এবং ব্যর্থ হয়। এর মধ্যে বর্তমানে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধ সংঘঠিত হয়। সপ্তাহখানেকের মধ্যে ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলিদের মধ্যে প্রায় তিন হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে শিশু, নারী ও দুঃস্থ লোকও অনেক আছে। এই যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার সহযোগী পশ্চিমা বৃহৎশক্তিবর্গ ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে ইসরায়েলদের পক্ষ নিয়ে সক্রিয়তা প্রদর্শন করছে। আমরা জাতিসংঘের কাছে দাবি করছি, অবিলম্বে যুদ্ধ থামানো হোক এবং ফিলিস্তিনীদের স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হোক। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবং ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ থামানো হোক এবং যুদ্ধজোট ন্যাটোকে বিলুপ্ত করা হোক। যুদ্ধ এবং যুদ্ধজোট ও যুদ্ধের অস্ত্র উৎপাদন ও যুদ্ধজোট বিলুপ্ত করা হোক। আমরা চাই যুদ্ধহীন শান্তি ও উন্নতির যাত্রা আরম্ভ করা হোক।