বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান, মানব পাচারসহ সব ধরনের সীমান্ত অপরাধ দমনে নিরবিচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) ও এসআরবি’র যৌথ অভিযানে ৩,০০,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ অভিযানে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
অদ্য ০৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকা দিয়ে মায়ানমার হতে মাদকের একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অধিনায়ক, টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এবং এসআরবি প্রতিনিধির যৌথ পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় বিশেষ অভিযানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী বিজিবি ও এসআরবি’র যৌথ আভিযানিক দল আনুমানিক ০০৩০ ঘটিকায় দমদমিয়া বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকার বিআরএম-১০ হতে আনুমানিক ৭০০ গজ পূর্ব দিকে হ্নীলা ইউনিয়নের ০৯ নম্বর ওয়ার্ডের জাদিমুড়া এলাকার মন্দিরের জোড়া নামক স্থানে মঞ্জু মেম্বারের প্রজেক্ট সংলগ্ন কেওড়া বাগানে অবস্থান গ্রহণ করে।
পরবর্তীতে আনুমানিক ০২৩০ ঘটিকায় কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে মন্দিরের পেছনে মঞ্জু মেম্বারের প্রজেক্ট সংলগ্ন কেওড়া বাগানে আসতে দেখা যায়। যৌথ আভিযানিক দলের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা সঙ্গে থাকা মাদক কাদামাটির নিচে লুকিয়ে রেখে দ্রুত পার্শ্ববর্তী কেওড়া বাগানে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে যৌথ আভিযানিক দল উক্ত এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে মাটির নিচ হতে বিশেষভাবে পলিথিনে মোড়ানো ৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে।
জব্দকৃত মাদকের বিষয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) ও এসআরবি কর্তৃক নিয়মিত মামলা রুজু করে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক পাচারসহ সব ধরনের সংঘবদ্ধ অপরাধ প্রতিরোধে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর গোয়েন্দা নজরদারি, নিয়মিত টহল এবং সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।