সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত ৯ম জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণার পর এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অন্তর্ভুক্তি বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের বক্তব্যে অস্পষ্টতা থাকায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (বাকবিশিস)।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মদ তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর স্বাক্ষরিত প্রেস বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, দেশের সিংহভাগ শিক্ষার্থীকে পাঠদানকারী এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের এই পে-স্কেলের আওতায় আনার বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত না আসায় আমরা উদ্বিগ্ন। একই। সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের সমান যোগ্যতা ও একই দায়িত্ব পালন করে আসলেও অজ্ঞাত কারণে সমমর্যাদা ও ন্যায্য অধিকার থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত হয়ে আসছেন। সদ্যঘোষিত নতুন পে-স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বিষয়েও অস্পষ্টতা রয়ে গেছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং শিক্ষকসমাজের জন্য অমর্যাদাকর।
শিক্ষক নেতৃবৃন্দ দাবি করেন, প্রস্তাবিত ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের আগেই দেশের সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীকে এই পে-স্কেলের পূর্ণাঙ্গ আওতায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারি চাকরিজীবীদের ন্যায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্যও নতুন পে-স্কেল ও বেতন চলতি বছরের জুলাই মাস থেকেই কার্যকর করার দাবি জানান তাঁরা।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ১৯৯৭ সালে ঘোষিত ৪র্থ জাতীয় বেতন স্কেল থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জাতীয় বেতন স্কেল কার্যকরের তারিখ থেকেই এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে আসছে। সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করে এবারও তাদের পূর্ণাঙ্গ অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করাই স্বাভাবিক। তাঁরা এই বিষয়ে সরকারের আন্তরিকতা কামনা করেন।