গভীর রাতে বিছানায় জ্বলে উঠলো লকলকে চিতা...
উৎসাহি ক্ষুধা হৃদপিণ্ডে হাওয়া টেনে, মুখ ফস্কে বলে ফেলে,
'শেষটুকু চন্ডাল জানে' !
তারা কোদাল চালায়,জয় ?
সেই রাতে শয্যা সাক্ষী উন্মত্তের মতো লণ্ডভণ্ড কিছু
মৃত্যুময় কবিতার পান্ডুলিপি...
'মাটি ভাঙছে, ভেঙে যাচ্ছে ভয়!'
জীবন তখন পুড়ে যাওয়া প্রতিবিম্ব !
সময়ের কাছে বাতাসেরা বুজিয়ে দিচ্ছে অমল কবর !
অন্ধকারে স্নান সেরে শুদ্ধ হও সভ্য সমাজের চোখে ! দূরত্ব... সুদূরমগ্ন !
সিন্দুকে লুকানো গিনির মতো ঝলসানো দৃষ্টিতে
তাকিয়ে থাকো নিজেদের দিকে !
নির্মমতার আবহসঙ্গীতে লুকিয়ে রাখো চেহারা !
আঙুলে দীর্ঘায়ু আংটি,নোখে আবর্জনা !
বহু শতাব্দীর পান্ডুলিপি নোনাজলে বিমূর্ত...
কৌপীনে তুমি ভিক্ষুক!!!
অতীত -কেবলই স্মরণীয় স্বীকারোক্তি...
চেহারাগুলো ধ্বসে পড়া আল্পনা,উল্কি এখন শুধুই বদলা বদলি...
তারপর... তারপর থেকে সারাটা দিন ছায়ার সাথে থাকি...
অবশ্যম্ভাবী মানচিত্র আঁকি !
পাখি নেই... পাতাহীন ইলেকট্রিক গাছে
আত্মহননের রশি ইশারায় ডাকে --- আয়...
পিছনে তাকিয়ে দেখি --- গুছিয়ে রাখা ভালোবাসা উষ্ণীষ হয়ে গেঁথে আছে !
উজ্জ্বলন্ত রোদে খুঁজে ফিরি কোমল গান্ধার !
ভরসা করি নিজের ছায়ার হা হতোস্মি...
সবশেষ ছায়াও থাকে না.... !
জন্মলগ্ন হয়ে উঠি ---- সে-ই কাটাকুটি লেখা --- নিঃশব্দ ভ্রুকুটি !
আমিও পৃথিবীর আদিবাসীদের সাথে ঘুমিয়ে পড়ি... জাগিও না আমাকে