উড়ো মেঘের মতো কিছু আবেগ থাকে খামখেয়ালী গন্তব্যহীন !
অন্ধকার পেলেই ছিচকাঁদুনে বৃষ্টি ঝরায়।
চোখের জলে বাড়তি শুধু কয়েক কণা নুন।
আমার ভেতরে এক শয়তান আছে।
সময় বিশেষে সেই আবার শুভ বুদ্ধির রূপটান মেখে তর্জনী তোলে,
নিজের থেকে পালাবে কোথায় ?
তখন ব্যক্তিগত দুঃখ হঠাৎই ছোট হয়ে যায়
নিরবচ্ছিন্ন সামগ্রিক দুঃখের কাছে এসে !
অবিচ্ছিন্ন এক অপ্রেম ,
মানুষের ভেতর থেকে
প্রকৃতির শরীর পর্যন্ত ক্ষয় করে দিচ্ছে।
আমরা প্রকৃতিকে শুধু রমণীয়তা ভেবে ভুল করেছি,
তার পুরুষসত্তা, তার আদিম সংযম,
তার গভীর আশ্রয় চিনিনি।
তাই নদী আজকাল সহজে রুষ্ট হয়,
ফুসফুসে বাতাস অকারণ হিংসা, প্রতিহিংসা জমিয়ে রাখে।
মানুষের ভেতরে অগোছালো হয়ে ওঠে নিজস্ব অরণ্য !
গোধূলির অববাহিকায়,
যখন সূর্য আবির খেলে !
পাখিরা আরণ্যক জীবন সংগ্রামের ক্লান্তি
বটের ঝুরিতে নামিয়ে রাখে,
আমি ফিরে আসি নিজের কাছে !
একান্ত আমিটার কাছে !
শুধু এইটুকু বুঝতে !
আমি আজও মানুষ,
সম্পূর্ণ অমানুষ হইনি !