সোমবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬

‘বিএনপি-জামায়াতের শীর্ষ ২০ নেতাসহ গ্রেপ্তার ১৭৫৮ : পুলিশ’

  • সকালের আলো প্রতিবেদক
  • ২০২৪-০৭-২৫ ১৩:১৭:২৯

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া সহিংসতায় ঘটনায় এখন পর্যন্ত ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন থানায় ১৫৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এসব মামলায় কয়েক হাজার আসামি করা হয়েছে। মামলায় বিএনপি-জামায়াতের শীর্ষ ২০ নেতাসহ এখন পর্যন্ত এক হাজার ৭৫৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির বিভিন্ন থানা ও বিভাগ।
গ্রেপ্তারদের বেশিরভাগই জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মী। গত ২৪ ঘণ্টায় শুধুমাত্র ঢাকায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৬০১ জনকে।
ডিএমপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, আন্দোলনের নামে যারা রাজধানীতে সহিংসতা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে।
এদিকে গত এক সপ্তাহের সহিংসতায় সারা দেশে নিহত পুলিশ সদস্যের সংখ্যা তিনজন, আহতের সংখ্যা এক হাজার ১১৭ জন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঢাকাসহ সারাদেশে পুলিশের ২৮১টি যানবাহন ভাঙচুর ও আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ সময়ে পুলিশের বিভিন্ন থানা ও ফাঁড়ি মিলিয়ে ২৫৩টি স্থাপনায় ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।সূত্র-বিবিসি বাংলা।
এই ইস্যুতে মামলা দায়ের নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘অজ্ঞাত আন্দোলনকারীদের নামে আরও ১১ মামলা’। এ খবরে বলা হচ্ছে, এসব মামলার সব কটি মামলা শাহবাগ থানায় দায়ের করা হয়েছে।
এরমধ্যে নয়টি মামলার বাদী হয়েছে পুলিশ। বাকি দুটো মামলার বাদী ছাত্রলীগের দুজন নেতা। এসব মামলা ১২ থেকে ২১শে জুলাইয়ের মধ্যে হয়েছে।
এর মধ্যে একজন ছাত্রলীগ নেতা অজ্ঞাতনামা দুই থেকে আড়াই হাজার জন কোটা আন্দোলনকারীকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। আন্দোলনকারীরা তাকে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
আরেক ছাত্রলীগ নেতার মামলা এজাহার থেকে জানা যায়, রাজু ভাস্কর্যে ছাত্রলীগের কর্মসূচিতে যোগ দেয়ার জন্য যাত্রাবাড়ী থেকে রওনা দিলে পথিমধ্যে কোটা আন্দোলনকারীদের ব্যানারে থাকা ৫০ থেকে ৬০ জন ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মী তার মুঠোফোন পরীক্ষা করেন।
পরে তার মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
একপর্যায়ে তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হলে নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে বিকেল থেকে রাত দেড়টা পর্যন্ত নির্যাতন করা হয়।
এদিকে পুলিশের করা মামলার বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকেই বলা হয়েছে, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা কোনো ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগে জড়িত ছিল না। সরকারের কথার সঙ্গে পুলিশের অভিযোগটি সাংঘর্ষিক’।
‘ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগকে আমরা সমর্থনই করি না। ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তবু এমন অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই মনে হচ্ছে।’ তিনি জানান।


এ জাতীয় আরো খবর