তুমি আজ তৃষিত, বঞ্চিত ও রিক্ত,
অপূর্ণ ইচ্ছার সোপানগুলি ভেঙে গেছে।
মেঘ বলেছিল “বৃষ্টি” দেবো তোমায়-
তোমার বুকের শূন্যস্থান গুলি পূর্ণ করব শীতল জলে ,
খরা কাটিয়ে তুমি হবে উন্মুক্ত উর্বরা-
একটা সম্পূর্ণ ছোটো জগৎ দেবো ,
পারেনি-
পাহাড়ের ঢালে বাধা পেয়ে অন্য দিকে দিয়েছে তার দান ,
তোমার নির্জলা একাদশী ।
নদী বলেছিল ওহে শুনছো-
আমি তোমায় আমার সবটুকু দেবো ,
তোমার উত্তাপ,শুষ্কতা,তৃষ্ণা,কাঠিন্য সব ডুবিয়ে দিয়ে সিক্ত করব,
সে ও আসেনি-
আবর্জনা আর জঞ্জাল বয়ে তার বুক ভারাক্রান্ত,
একসময়ে সোজা পথে না চলে দিক ঘুড়িয়ে,
আজ সে অন্যগামিনী,
তুমি রইলে পিপাসিত।
গাছ বলেছিল দুঃখ পেওনা,
আমি আছি
আমার ছায়া,বাতাস,সবুজ সব কিছু দেবো তোমায় ,
কানায় কানায় পূর্ণ করব তোমার কোল-
কিন্তু সে ও নিরূপায়,নির্যাতিত
তার যে দাঁড়ানোর শক্তিটাই লুপ্ত ,
তুমি রয়ে গেলে বন্ধ্যা।
ফুল আর পাখি বলেছিল সংগোপনে ,
আমরা তোমায় সুবাস দেবো, দৃশ্য দেবো-
দেবো সুন্দর শব্দ,দেবো অনুভুতি
তারাও এলোনা,
তাদের আধার-বৃষ্টি নদী বাতাসেরা
যে আসেনি,গাছেরা ও নেই,
তুমি রইলে সম্পূর্ণ রিক্ত ।
সূর্য তার কথা রেখেছে ,
সে বলেছিল আমি তোমায় উত্তাপ দেবো,শক্তি দেবো-
চোখ ঝলসানো আলো দেবো,
সব সিক্ততা শুষে নেবো ,
তার দানে সত্যি কোন কার্পণ্য নেই
অবিরাম তীব্র দহন দিয়ে চলেছে ,
আজ তুমি বন্ধ্যা- তুমি উ......প্ত।