ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪৯ জন প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে তাদের বিজয় নিশ্চিত করা হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসির যুগ্ম সচিব মো. মঈন উদ্দীন খান জানান, মোট ৫৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে বিএনপি জোটের ৩৬ জন,জামায়াত জোটের ১২ জন এবং স্বতন্ত্র জোটের ১ জনসহ মোট ৪৯ জন বৈধ প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে।
দলীয় বণ্টন অনুযায়ী একাধিক প্রার্থী না থাকায় এসব আসনে ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হয়নি। ফলে সরাসরি গেজেট প্রকাশ করে তাদের সংসদ সদস্য হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
বিএনপি জোট থেকে নির্বাচিতদের মধ্যে রয়েছেন-সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, মোছাম্মত ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বিথীকা বিনতে হুসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, শওকত আর আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।
জামায়াত জোটের ১২ এমপি হলেন নুরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন্নাহার মুন্নী, নাজমুন নাহার নীলু, মাহফুজা হান্নান, সাজেদা সামাদ, শামছুন্নাহার বেগম, ইঞ্জি. মারদিয়া মমতাজ, রোকেয়া বেগম, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, তাসমিয়া প্রধান ও ইঞ্জি. মাহবুবা হাকিম।
এদিকে নির্ধারিত সময়ের ১৯ মিনিট পরে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া জামায়াত জোটের প্রার্থী নুসরাত তাবাসসুম আদালতের নির্দেশে আবেদন গ্রহণ করতে সক্ষম হন। তার মনোনয়নপত্র বাছাই আগামী শনিবার অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সরকারি চাকরি থেকে অবসরের সময়সীমা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে অন্য এক প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলে তড়িঘড়ি করে নতুন মনোনয়ন জমা দেওয়ার ঘটনাও আলোচনায় আসে।
এই নির্বাচনের মাধ্যমে সংরক্ষিত নারী আসনে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন নির্বাচনের বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
কী-ওয়ার্ডস: নারী আসন,বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা,গেজেট প্রকাশ