তোমার হৃদয়ের পূণ্য ভুমির একচ্ছত্র দখলদারিত্ব চাই
মনোমন্দিরে অর্চনা সাজাই বিন্দাস মুখোচ্ছবিতে হারাই,
বিমুগ্ধ চিত্তে ভাবনার করিডোরে কত শত স্বপ্ন মাড়াই!
আশা নিরাশার দোলাচালে দাড়াই তবুও দুহাত বাড়াই,
মন বিনিময়ে এক আকাশ যাতনা না হয় খরিদ করে যাই।
বেদনা বন্দরে বাঁধি খেলাঘর,শেষে না হয় হয়ে গেলে পর,
হৃদয় জনপদে নিরন্তর ছুটে চলা নিঃসঙ্গ দিকহারা যাযাবর।
চোখতে বিস্ময় ওষ্ঠতে স্বর্গের সুধা যেনো জমেরয় হরিহর!
ডাক পাঠাতে অন্তরে ডাকপিয়নে আজ দিয়েছে পগারপর।
বিরহ বিলাস মনোহর ভালোবাসায় চরাচর হলো না হয় পর,
শ্রাবণ ধারা পাগলপারা অঝোরে ঝরে আজি বাদল ঝর ঝর।
কি যে মায়া নিঃশব্দ প্রাতে ডাগর ডাগর চাহনিতে আঁখিপাতে
ভীষণ মজতে ইচ্ছে হয় দিন কি রাতে সাঝ প্রভাতে তোমাতে।
পরাণের নিগুঢ় সমুদ্র সফেনে দরিয়া আজ লন্ড ভন্ড তুফানে
সাধ জাগে মনে আলো আঁধারে মুখোমুখি বসিবার নির্জনে।
তাপসী,রূপসী,মহীয়সী,প্রেয়সী আবাস গেড়েছে মন ভুবনে।
ভাঙ্গা গড়ার খেলা হরদম হৃদয় দোলছে দোলনে সংগোপনে,
ফুটেছে ফুল অকারণে বৃন্দাবনে খোঁজ কি রাখে রসিকজনে?
কথা বলে নানা ছলে মনচোরা খাইছে ধরা সে কি তা জানে?
স্বপ্ন সাধনা কামনাবাসনার আগুনে জ্বলেপুড়ে প্রেম উপ্যাখানে,
বসন্ত ছুঁয়ে যায় উদাসী বাউরিবাতাসে মুখরিত বারিঝরা শ্রাবণে।