রৌদ্রেরঝাঁজে সব শব্দ ডুবে গেল...
নিভে গেল কতো মায়ের আর্তচিৎকার...
রাত দখলের পথ "একটু দাঁড়াও" বলে থমকে গেল বিস্মরণ !
ঘড়ি থেকে ঝরে পড়ে কতো প্রহর !
জীবন থেকে ঝরে পড়ে রামধনু রঙ !
কিছুতেই সাড়া মিলবে না তোর !
কপালের ঘামে নেমে আসে ভোর... !
স্পষ্টত গাঢ় নীল ঘুম...
ঝাঁকি দিলে দু'চারটে পাতায়
ঘূর্ণি ধুলোয় বিলীন অবাঞ্ছিত পদাঘাত !
ছাপ রাখে কিছু বে-আব্রু লাইন !
প্রতিটি নিঃশ্বাস যত্ন করে সঞ্চিত বারুদ !
তাই বুঝি...
জীবন জাগাতে চেয়ে জীবনের ক্ষয় !
পুরোনো আংটির শবদেহ আঁকড়ে থাকেন গোপন ঈশ্বর...
সুখ-ছোঁয়া সকাল-সন্ধ্যায় ফুটেছিল প্রবল পলাশ !
তখন ফাগুন ...!
বিশ্বস্ত জন্মদাগে তলিয়ে যায় সবটুকু সিঁদুরের সিঁথি ;
মনুষ্য স্বভাবে তোমরা পাপ লুকাতে ঘোমটা টেনে ছুঁয়ে দিলে আগুন !
অর্ধ সমাপ্ত কবিতার গায়ে আসে জ্বর ;
শীত সিঁড়ি বেয়ে নেমে আসে মর্মান্তিক দিন...
প্রত্যাশারা চাদর জড়ায়...
বস্ত্রহরণের পর সম্ভোগ... যে কোনও লুন্ঠনে ছায়া লাগে...
একথা সত্যি ! ভুলো না তোমরা... !
মধ্য রাত সকালের দুয়ারে ছোবল মারে...
মুহূর্ত বধির হয়,
বিপন্ন আকাশ দু'ভাগ করে পেট্রোল দগ্ধ পারিজাত মেঘ-কে পোড়ায়,
সে-ই রাতেই ---- রাতারাতি বিজ্ঞাপনের অন্তরালে সাক্ষী বিক্রি হয় !
শিয়রের পাশে বসে মৃত্যু ! বিমর্ষ তখন !
ভেবে বলো,
কারও কিছু কী ক্ষতি হলো তাতে !
পোশাকের মধ্যে ঢেকে রাখা নগ্ন শরীরের মতো লজ্জাহীন...
বিবেকহীন...
ঘোরতর স্বপ্নের ভিতরে তুমি একা "অভয়া মঞ্চে" দাঁড়িয়ে নিজেরই প্রতিবাদের...!
চেয়েছিলে নতুন দিন, জীবনের প্রহরী সেজে
চোখ দুটোকে আপাদমস্তক কাপড়ে মুড়ে রেখো না কোনোদিন ...