দক্ষিণ আফ্রিকার ইমিগ্রেশন বিভাগ এবং পুলিশের সমন্বয়ে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে ৩ বাংলাদেশীসহ ৮ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। দেশটিতে অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ এবং ওয়ার্ক পারমিটের বৈধতা যাচাইয়ে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে তাদের আটক করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আটকদের বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বাংলাদেশী নাগরিকদের আটকের পেছনে সুনির্দিষ্ট কিছু কারণ উল্লেখ করেছে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী:
নথিপত্র ও ফিঙ্গারপ্রিন্টে গরমিল: বাংলাদেশী এক নাগরিকের কাছে থাকা 'গুড কন্ডাক্ট সার্টিফিকেট' বা প্রয়োজনীয় নথিপত্রের সাথে তার ফিঙ্গারপ্রিন্টের অমিল পাওয়ায় তাকে আটক দেখানো হয়েছে।
অবৈধ কর্মসংস্থান: অপর এক বাংলাদেশী নাগরিককে আটক করা হয়েছে নিজের কর্মস্থলে একজন অবৈধ অভিবাসীকে আশ্রয় ও কাজ দেওয়ার দায়ে।
সনাক্তকরণ প্রক্রিয়ায় কড়াকড়ি: বৈধ ওয়ার্ক পারমিট থাকা সত্ত্বেও আরেক বাংলাদেশী নাগরিককে আইনি জটিলতায় পড়তে হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নির্দেশনা হলো-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্ত্রী অথবা পরিবারের যেকোনো একজন সদস্যকে সশরীরে থানায় উপস্থিত হয়ে তাকে সনাক্ত করতে হবে। পরিবারের সদস্যরা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলেই কেবল তাকে মুক্তি দেওয়া হবে।
দক্ষিণ আফ্রিকার অভিবাসন আইন অনুযায়ী, দেশটিতে বিদেশি নাগরিকদের নথিপত্রের সঠিকতা এবং কর্মসংস্থানের শর্তাবলি নিয়মিত মনিটরিং করা হয়। এই অভিযানের মাধ্যমে অভিবাসন আইন অমান্যকারীদের প্রতি কঠোর বার্তা দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
আটককৃত অপর পাঁচজন বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধেও সংশ্লিষ্ট দেশের আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে ইমিগ্রেশন পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।