সোমবার, জুন ১, ২০২৬

অকটেন,কেরোসিন ও পেট্রোলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ-বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টি

  • লেখক অমূল্য কুমার বৈদ্য
  • ২০২৬-০৬-০১ ১১:৫১:৩৫

অদ্য সোমবার ( ১ জুন ২০২৬) বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টি ( বিজিপি)'র সভাপতি এম এ আলীম সরকার এক বিবৃতিতে বলেন, 
বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টি গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে সরকার পুনরায় অকটেন, কেরোসিন ও পেট্রোলের দাম প্রতি লিটার ৫ টাকা বৃদ্ধি করেছে। আমরা জ্বালানি তেলের সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধির তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি শুধু পরিবহন খাতেই প্রভাব ফেলে না, বরং এর সরাসরি প্রভাব পড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য, কৃষি উৎপাদন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে।
এম এ আলীম সরকার আরও বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ এমনিতেই উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির চাপে রয়েছে। এর মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি জনগণের দুর্ভোগকে আরও তীব্র করে তুলবে। পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় পণ্য পরিবহনের খরচ বৃদ্ধি পাবে, যার ফলে বাজারে খাদ্যপণ্যসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম আরও বাড়বে।  এই  মূল্য বৃদ্ধির ফলে কৃষক-শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের পকেট কাটা যাবে  হাজার হাজার কোটি টাকা। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা দূর্বিষহ হয়ে পড়বে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ, কৃষক, শ্রমিক এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।
কেরোসিনের মূল্যবৃদ্ধি গ্রামীণ ও নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। অনেক পরিবার এখনও আলো ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজে কেরোসিনের ওপর নির্ভরশীল। ফলে তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বৃদ্ধি পাবে।
আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি সাধারণ জনগণের ও দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার কথা বিবেচনা করে অকটেন, কেরোসিন ও পেট্রোলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করা হোক। একই সঙ্গে জনগণের কষ্ট লাঘবে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হোক।
সাধারণ জনগণের ন্যায্য স্বার্থ রক্ষা এবং তাদের দুর্ভোগ কমানো রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। তাই কৃষক-শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের জীবনমানের কথা বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি।
 


এ জাতীয় আরো খবর