হৃদয় গহিনে ছিল যে গোপন ব্যাথা,
বলিনি কখনো সেই অনুরাগের কথা।
ভোরের শিশিরে মেখেছি সজল গান,
দিয়েছি চরণে আমার সকল প্রাণ।
তুমি তো দেখনি চাতকের হাহাকার,
আমার আকাশে শুধু মেঘে অন্ধকার।
প্রদীপ জ্বেলেছি নিঝুম রাতের ঘরে,
আঁখি দুটি মোর ভিজেছে লবণ তোড়ে।
যতটুকু দিলে অবজ্ঞা আর হাসি,
ততটুকু আমি হয়েছি যে পরবাসী।
বসন্ত আসে বকুল ঝরানো ঘ্রাণে,
তুমি আসো কই তৃষিত এ মরু টানে?
সমুদ্র সম মায়ার সে ঢেউ রাশি,
ডুবিয়ে মারিল আমায় বারোমাসি।
মুক্তার মতো ঝরানো দীর্ঘশ্বাস,
বুঝে নিলে তুমি শুধুই তো পরিহাস।
বুকের পাঁজরে জমানো যে অভিমান,
পুড়ে হলো ছাই নিঃস্ব এ ব্যবধান।
ফুলের সৌরভে খুঁজি তোমারি ছায়া,
ভেঙে দিয়ে গেলে স্বপ্নের সব মায়া।
হয়তো কখনো গোধূলি বেলার শেষে,
খুঁজবে আমায় স্মৃতির ধূসর দেশে।
সেদিন বুঝবে প্রেমের কি ছিল দাম,
পাতায় লিখবে আমার হারানো নাম।