রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকে অনিশ্চয়তা,
লাল-সবুজ বাতির নিচে থমকে যায় শ্বাস-
কে জানে,পরের মুহূর্তে
ফিরে যাওয়া হবে,নাকি হারিয়ে যাওয়া?
শহরটা বড় দ্রুত বদলায়,
উঁচু দালান ওঠে,নীতিগুলো পড়ে যায় নিচে,
মানুষ বাঁচার চেয়ে বেঁচে থাকার অভিনয়ে বেশি ব্যস্ত,
নিরাপত্তা এখানে শুধু একটি শব্দ-
বিজ্ঞাপনের মতো ঝলমলে,বাস্তবে ফাঁপা।
হেলমেট আছে,নিয়ম আছে,
কিন্তু নেই সেই চোখ-
যে চোখ দেখে অন্যের জীবনকে নিজের মতো,
নেই সেই থামার অভ্যাস,
যেখানে এক সেকেন্ড মানে এক জীবন।
রাতের শহরে সাইরেন বাজে,
কেউ ভাবে বিরক্তি,
কেউ ভাবে আরেকটা গল্প শেষ-
কেউ জানে না,
ওই শব্দের ভেতরে কতগুলো অসমাপ্ত স্বপ্ন কাঁদে।
নিরাপত্তা শুধু আইন নয়,
শুধু শাস্তির ভয় নয়,
এটা এক ধরনের বিবেক-
যা জেগে থাকলে দুর্ঘটনা কমে,
ঘুমিয়ে পড়লে মানুষ হারায়।
আমরা প্রতিদিন ঘর থেকে বের হই
ফিরে আসার আশ্বাস নিয়ে,
কিন্তু সেই আশ্বাসটা কার হাতে?
নিজের,নাকি অন্য কারও অসাবধানতায় ঝুলে থাকা ভাগ্যে?
জীবনের নিরাপত্তা-
এটা কোনো সরকারের একার দায়িত্ব না,
এটা আমার,তোমার,আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তে লুকানো-
একটু ধীর হওয়া, একটু খেয়াল রাখা,
একটু মানুষ হয়ে ওঠা।
কারণ শেষ পর্যন্ত,
নিরাপত্তা মানে শুধু বেঁচে থাকা না-
নিরাপত্তা মানে নিশ্চিন্তে বেঁচে থাকা।