রবিবার, অক্টোবর ৪, ২০২৬

সুপার ফোরের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশকে ২১ রানে হারিয়েছে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা

  • সকালের আলো প্রতিবেদক
  • ২০২৩-০৯-০৯ ২৩:৪৫:৫২

আজ শনিবার শ্রীলঙ্কার প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে সুপার ফোরের দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় বাংলাদেশ। আগে ব্যাট করে শ্রীলঙ্কা ৯ উইকেট হারিয়ে ২৫৭ রান তুলে। জবাবে ৪৮.১ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৩৬ রানে অলআউট হয় টাইগাররা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮২ রান করেন তাওহিদ হৃদয়।এশিয়া কাপ ক্রিকেটের সুপার ফোরের খেলায় বাংলাদেশকে ২১ রানে হারিয়েছে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৭ উইকেটে হারে বাংলাদেশ। সুপার ফোরের প্রথম দুই ম্যাচ হেরে ফাইনালের আশা তাই কার্যত শেষ বাংলাদেশের। 
লক্ষ্য ছিল ২৫৮ রানের। ওপেনিংয়ে নেমে আরও একবার ভালো সূচনা এনে দিয়েছিলেন মেহেদি হাসান মিরাজ। ফলে ১১তম ওভারে ওপেনিংয়ে পঞ্চাশ পার করে বাংলাদেশ। জুটি অবশেষে ভাঙে ৫৫ রানে। ২৯ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ২৮ রান করে মিরাজ পুল করতে গিয়ে হন দাসুন শানাকার শিকার।
জুটি গড়লেও শুরু থেকেই স্বচ্ছন্দ্য ছিলেন না নাইম শেখ। ধীরগতিতে এগোচ্ছিলেন। তবে ধীরগতির এক ইনিংসও বড় করতে পারলেন না।
৪৫ স্ট্রাইকরেটে ৪৬ বলে ২১ রান করে শানাকার শিকার হয়ে ফেরেন নাইম। লঙ্কান অধিনায়কের শর্ট বলে ব্যাট চালিয়ে আকাশে তুলে দেন এই ওপেনার। উইকেটরক্ষক নেন সহজ ক্যাচ।
সাকিব আল হাসানও ভরসা দিতে পারেননি দলকে। মাথিসা পাথিরানার শিকার হন টাইগার অধিনায়ক। পাথিরানার গতিতে বিভ্রান্ত হয়ে ঠিক গ্রুপপর্বের ম্যাচের মতোই তিনি ক্যাচ দেন উইকেটরক্ষককে। লিটন দাস হতাশ করেছেন আরও একবার। ২৪ বলে ১৫ রান করে ওয়েল্লালাগের বলে উইকেটরক্ষকের হাতে আবদ্ধ হন ডানহাতি এই ব্যাটার। ৮৩ রান তুলতে ৪ ব্যাটার ফেরেন সাজঘরে।
দলের সেই বিপর্যয়ে হাল ধরেন মুশফিকুর রহিম আর তাওহিদ হৃদয়। জুটিতে তারা ১১২ বলে ৭২ রান যোগ করেন। ৪৮ বলে ২৯ করে মুশফিক শানাকার বলে ক্যাচ দিলে ভাঙে এই জুটি। তারপরও হৃদয় আশা বাঁচিয়ে রেখেছিলেন।
কিন্তু থিকসানাকে ছক্কা হাঁকানোর পরের বলেই তার প্যাডে বল লাগলে আঙুল তুলে দেন আম্পায়ার। ৯৭ বলে ৮২ রানের ইনিংসে ৭টি চারের সঙ্গে একটি ছক্কা হাঁকান হৃদয়। নাসুম আহমেদ ১৪ বলে ১৫ আর হাসান মাহমুদ ৭ বলে ১০ করে পরাজয়ের ব্যবধানই যা কমিয়েছেন। ৪৮.১ ওভারে ২৩৬ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। থিকসানা, শানাকা আর পাথিরানা নেন তিনটি করে উইকেট।


এ জাতীয় আরো খবর