চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের চাকপাড়া গ্রামের নিখোঁজ গরু ব্যবসায়ী আহাদ আলী ওরফে গোল কাজল ওরফে কাজলের (৩৫) অর্ধগলিত মরদেহ সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী আলাতুলী ইউনিয়নের মিডল চর নামক স্থান থেকে (রাজশাহীর গোদগাড়ী থানা ও উপজেলা পরিষদের বিপরীতে) ১৭ দিন পর উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার(২০ জানুয়ারী) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। অর্ধগলিত মরদেহে নাকে,মুখে, মাথায়,কোমর ও পায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুর্লিশ। তবে এটি হত্যা কিনা তা নিশ্চিত নয়। ময়নাতদন্তের পরই আঘাতগুলো ও মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। কাজল চাকপাড়া গ্রামের মৃত আলতাফ উদ্দিন মেম্বার ওরফে ফিরোজ আলীর ছেলে।
পরিবারের বরাতে পুলিশ জানায়,গত ৩ জানুয়ারী রাত ১০টার দিকে বাড়ি থেকে ডেকে নেবার পর নিখোঁজ হন কাজল। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী লিমা বেগম গত ৮ জানুয়ারী সদর থানায় ৮ জনের নামোল্লেখ করে ও ৭/৮ জনকে অজ্ঞাতনামা করে একটি অপহরণ মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করে।
গোদাগাড়ী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক তৌহিদুর রহমান বলেন, মঙ্গলবার বিকালে স্থানীয়দের মারফত মরদেহের খবর পেয়ে কাজলের পরিবার পুলিশকে জানালে পুলিশ তাঁদেও সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। কাজলের পরিবার নিখোঁজের পর তাঁর খোঁজ অব্যহত রেখেছিল বলেও জানান তিনি।
এদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) ও সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হরেন্দ্রনাথ দেবদাশ বলেন, স্থানীয় একটি ঘটনার শালিশ নিয়ে এলাকায় বিরোধের পরদিন কাজল নিখোঁজ হন বলে পরিবার পুলিশকে জানিয়েছে। তাঁকে কে বা কারা বাড়ি থেকে ডেকে নেয় তা তদন্ত করছে পুলিশ।
সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরই কাজলের মৃুত্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে ও সে অনুযায়ী পরবের্তী আইনগত পদক্ষেপ নেয়া যাবে। তবে রহস্য উদঘাটনে ঘটনার তদন্ত চলছে বলেও জানান ওসি।