বুধবার, আগস্ট ১৯, ২০২৬

পা র মি তা চ্যা টা র্জি

  • প্রায়শ্চিত্ত
  • ২০২৫-১২-২৫ ২০:৪৯:৪২

সুব্রত হতাশ হয়ে নির্মলকে বলল, বুঝলে ভাই একদম কাজ আসছেনা হঠাৎ পঞ্চমী বলে উঠল এবার ঠিক আসবে প্রায় সঙ্গে সঙ্গে  ফোনটা বেজে উঠল। 
সুব্রত ফোন টা ধরে বলল, কে পার্থ? 
আরে রাঁচির কথা ভুলে গোছিস?  আমাদের বাড়ি কত আসতিস , 
ওওও পার্থ সত্যি একদম ভুলে গেছিলাম  তোদের বাড়িটা ছিল কিছুটা উঠোন তার কোলে একটা ঘর তারপর দুতিন ধাপ সিঁড়ি উঠে গেছে একটা বড় ঘর সেখানে রান্না খাওয়া সব ছবির মতন ভেসে উঠছে হ্যাঁ  বল কি খবর?  
আর বলিস না কিছুদিন হল আমার খুরতুতো পিসি আর পিসেমশাই এসে আাছে আর খালি সম্পত্তি নিয়ে ঝামেলা করছে। 
দাদু বেঁচে থাকতো  সব ভাগ করে গেছেন তখন কিছু বলেনি এখন বলছে ওকে না কি সবচেয়ে খারাপ ঘরটা দেওয়া হয়েছে ইত্যাদি নিয়ে অশান্তি কিন্তু গত পরশু দিন হঠাৎ পিসেমশাই খুন হয়ে গেছে সেইজন্যই তোর  শরণাপন্ন হয়েছি। 
তাহলে তো ওখানে যেতে হবে
হ্যাঁ চলে আয় আমি তা আলাদা ঘর এ্যাটাচ বাথরুম দেওয়া ঘর সব তোর জন্য  ব্যাবস্থা করেছি
তোদের বাড়ি এ্যাটাচ বাথরুম হয়েছে?  তাহলে অনেক মর্ডান হয়ে গেছিস দেখছি, 
আরে এখন কি আর ওই একসাথে সব থাকি নাকি?  যে যার মতন আলাদা হয়ে গেছি। তাতে দেখছি অনেক শান্তি বেশি, সেই নিত্য অশান্তি থেকে মুক্তি পেয়েছি হ্যাঁ যা বলছিলাম তুই আজ রাতের ট্রেন বুক কর যাতে কাল সকালে এসে পৌঁছে যেতে পারিস, ফাস্টক্লাস বুক করবি কাকা বলে দিয়েছে, 
বাবা এ যে দেখছি ওঠ ছুড়ি তোর বিয়ে  
হ্যাঁ রে অনেকটা ওইরকম । 
ঠিক আছে কাল দেখা হচ্ছে তাহলে?  
হ্যাঁ  একদম। আমার ফিজ টা জানিস তো? 
হ্যাঁ  রে জানি সব এখন আমাদের এই শান্ত শিষ্ট বাড়িটাতে কোন খুনি লুকিয়ে আছে না কর তো একটু।
সুব্রত পঞ্চমী কে এক কাপ চা বলে দিয়ে ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিল এখন ও গভীর চিন্তায় ডুবে গেল।
অজয় ভাবল এবার তো সব ঝামেলা আমার সে এক কাপ চা খেয়ে টিকিট কাটতে চলে গেল। পেয়েও গেল ফাস্ট ক্লাস স্লিপার।
রাতের খাবার প্যাক করে নিয়ে দুই বন্ধু বেরিয়ে পড়ল রাতের ট্রেনে রাঁচির উদ্দেশ্যে। 
পার্থ স্টেশনে দাঁড়িয়ে ছিল ওদের নিয়ে বাড়ির দিকে গেল ওদের বাড়ি একটু ফাঁকা জায়াগায় পুরান আমলের বাড়ি। 
প্রথমে ঢুকে  অজয়ের বাড়িটা কেমন গোলকধাঁধাঁর মতন লাগছিল। সিঁড়ি কোথাও দূতিন ধাপ উঠে গেছে কোথাও নেমে গেছে সব খাঁজে খাঁজে একটা করে ঘর সঙ্গে বাথরুম। আগে এদের প্রায় চল্লিশ জন লোকের একটা বাথরুম।  বাথরুম পেলেও চুপ করে বসে থাকত ওর পাশ দিয়ে গেলে গন্ধ বেরোত। এখন  সন্ধ্যা বেলা সুব্রত ওদের ঘরে পাইচারি করছে গম্ভীর মুখে আর অজয় একটু হাঁটতে বেরিয়েছে। ইতিমধ্যে 
হঠাৎ  সুব্রতর  ডুয়েট গলার মান্না দের সেই অসাধারণ সংগীত, " কে প্রথম  কাছে এসেছি "। 
সুব্রত চমকে গেল মেয়ের গলাটা তো মুনমুনের কিন্তু ছেলের গলাটা তো চিনতে পারছিনা, এরকম গলার কাউকে ইন্টারভিউ করলাম বলে তো মনে হল না। 
চা জলখাবার খেয়ে ফ্রেস হয়ে এসে সব গল্প শুনতে বসল। সবাইয়ের সাথে আলাদা  করে কথা বলে যা বুঝল পিসেমশাই ভদ্রলোকটির ওপর কেউ  পিসির পরিবার মোটেই সন্তুষ্ট ছিলনা। 
পিসি তো বলল মরে গেছে ভাল হয়েছে, যা না বর ছিল মদ্যপ আমাদের মা মেয়েকে মেরে শেষ করত। 
সুব্রত দেখল পিসির মেয়ের নাম মুনমুন বেশ ভাল দেখতে আর পার্থ ওর সাথে সমানে কথা বলে যাচ্ছে  আর মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছিল অনেক আড়ালে গিয়ে সুব্রতর গোয়েন্দার চোখ ধরে ফেলেছে। 
তা আপনাদের যে এত মারামারি করত কেউ বাঁচাতে আসতনা? 
কে আর পরের ঝামেলা নিয়ে মাথা ঘামায় বলুন, ওদেরও ভয় ছিল  আমি যদি সম্পত্তি দাবি করি?  তা করব কেন বলুনতো?  বাবাতো নিজেই সব ছেলেমেয়েদের ভাগ করে দিয়েছেন ছেলেরা চিরকাল দেখেছে  ওঁদের এতবড় সম্পত্তির দেখভাল করে বাবা মাকে রাজার হালে রেখেছে তাই ছেলেরা বেশি পাবেই মেয়েদের পাওয়ার কোন কথা না কারণ প্রতিটা মেয়েকেই প্রচুর স্বর্ণালংকার  নগদ টাকা ইত্যাদি দিয়ে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। 
সুব্রতর মোটামুটি সবাইকে জিজ্ঞাসার পর বলল আজ আমাকে একটু ভাববার সময় দিন হয়ত কালকের দিনও লাগতে পারে, 
সুব্রত লক্ষ্য করল পার্থর  মুখটা হঠাৎ  শুকিয়ে গেল সে চমকে সুব্রতর দিকে তাকিয়ে বলল তু তুই দুদিনের মধ্যে খুনী কে ধরে দিতে পারবি? 
পারবই যে সে কথা বলিনি তবে ডেকেছিস যখন তখন নিশ্চয়ই চেষ্টা করব। 
যেমন লোকই হোক বাড়ির জামাই তো বটে আমাদের বাড়িতে খুনের ঘটনা ভাবাই যায়না। 
পার্থর পিসির দিকে চেয়ে বললেন বাবা, হ্যাঁ রে তোদের সাথেই তো মারামারি  হচ্ছিল তোরা বলতে পসরছিস কি করে কি হল?
দাদা তুৃমি কি আমাকে সন্দেহ করছ?  আমি আর যাই হোক স্বামী খুন করার মতন এত বাজে ঘটনা ঘটাবনা,
তবে কি ভাবে কি হল? তাড়াতাড়ি বলে দে এখুনি পুলিশ এসে যাবে দলবল নিয়ে, 
পার্থ  বলল  এরমধ্যে পুলিশ কেও খবর দেওয়া হয়ে গেল না কি? 
সুব্রত বলল হ্যাঁ আসার সময় তো পুলিশ স্টেশন হয়ে এসেছি এটাই নিয়ম, 
আমাকে একবার বললে পারতিস, 
দেখ টাকা নিয়ে কাজ করছি নিয়ম মেনে তো কাজ করতেই হবে। 
সুব্রত পিসির ঘরের চারদিক টা দেখল ঘন জঙ্গলে ঘেরা এখান থেকে যে কেউ গুলি করতে পারে, এই অবধি সে এসেছে, কিন্তু কে?  পার্থ নিজে নয়ত?  ও যেভাবে মুনমুনের  মাথায় চুলে হাত বুলিয়ে দিচ্ছিল একটু আগে তাতে তো মনে হচ্ছিল ওর প্রতি বেশ একটা সহানুভূতি বা ভালবাসার ব্যাপার আছে। 
সুব্রত আসার আগে বডি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল তাই কোথা থেকে কিভাবে গুলি লাগল বা আদৌ গুলি না অন্য কোন অস্ত্র ব্যাবহার করেছিল তাও বোঝা যাচ্ছেনা, সুব্রত  বলল আচ্ছা আপনারা পুলিশ আসার আগেই বডি পাচার  করে দিলেন কেন?  এতে যদি পুলিশ কোন সন্দেহ করে আমি কিন্তু কিছু করতে পারবনা। 
পার্থ বলল দেখ তুই আমার ছোট বেলার বন্ধু বলেই তোকে ডাকলাম, 
হ্যাঁ  বললাম তো আমি খুনি কে বার করার আপ্রাণ চেষ্টা করব কিন্তু তার বেশি আর কিছু না। তোরা তো চরম ভুল করেছিস বডি আগে পুড়িয়ে ফেলে, তাতে তোর যদি মনে বন্ধুত্বের ফাঁকি দেওয়া হল তাহলে আমি চলে যাচ্ছি, 
আরে না না রাগ করছিস কেন?  বার করতে পারলে তুই পারবি?  
হতেও পারে বাইরে থেকে এসে জঙ্গলের আড়াল থেকে গুলি করে বেরিয়ে গেছে। 
এইজন্য তো বডি থাকাটা খুব প্রয়োজন ছিল তাহলে আঘাতের চিহ্ন দেখে বোঝা যেত  কোনদিক থেকে কি হয়েছে খুনি বা হাতি না ডান হাতি। 
সেদিন সন্ধ্যায়  পুলিশ এল ভাল জলখাবারের ব্যাবস্থা বেশ ভাল ছিল, কথাবার্তা হল কিন্তু বিশেষ কিছু সমাধান হল না, 
পুলিশ রাগ দেখিয়ে বলল জানেন আমরা বাড়ি শুদ্ধ সবাইকে থানায় গারদে পুড়তাম নেহাৎ সুব্রত বাবু আছেন বলে কিছু করলামনা বলে একটি খাম পকেটে পুড়ে নিলেন।
একটু রাতের দিকে সময়টা গড়িয়েছে চারিদিকে একটা অদ্ভুত নিঃস্তব্ধতার আবরণ তারই মাঝে হঠাৎ  একটা গানের শব্দ ভেসে আসছে পুরুষ এবং স্ত্রী দুটো কণ্ঠ। সুব্রত নিশ্চিত হয়ে গেল স্ত্রী কণ্ঠ টি মুনমুনের কিন্তু পুরুষ কণ্ঠটি নিশ্চয়ই ওর মাস্টার মশাইয়ের  তারমানে আর এক জনেরও  এ বাড়ীতে যাতায়াত রয়েছে। 
সুব্রত হঠাৎ পার্থ কে ডেকে পাঠাল একবার আয় তো এখানে, 
কেন কি হল?  
আয় না বলছি 
হ্যাঁ আসছি। 
পাঁচমিনিটের মধ্যেই  পার্থ এসে বলল কি ব্যাপার জরুরি তরফ 
কারা গান গাইছে রে? 
পার্থ  যেন  কিরকম থতমত খেয়ে বলল ওই  মুনমুন  খুব  ভাল গান গায় তো আমার এক বন্ধুও  ভাল গায়  তাই  ওকে একটু  গান গাইবার সুযোগ  করে দিয়েছি,
ছেলেটি  খুব ভাল,
সুব্রত কিছুক্ষণ চুপচাপ থেকে বলল এর কথা তো আগে বলিসনি?  
আরে এ তো আর আমাদের বাড়ির কেউ নয় এর পিসেমশাই কে মেরে কি লাভ হবে? 
ছেলেটিকে কতদিন চিনিস?  এখানকার ব্যাঙ্কে চাকরি পেয়ে এসেছে আগে ধানবাদে একটা কোম্পানিতে চাকরি করত। 
ও কতদিন এখানে এসেছে? 
একবছর হল এসেছে  তারপর আমার সাথে ব্যাঙ্কে দেখা হয় অনেকদিন বাদে তবুও চিনতে অসুবিধা হয়না ও ভাল গান গায় আমি জানতাম মুনমুনেরও গান অন্ত প্রাণ কিন্তু কিছুতেই পিসেমশাই ওকে গান শিখতে দেবেনা। 
ঠিক আছে শোন কাল আর একবার পুলিশ কে ডাকতে হবে, 
কেন? 
সমস্ত ঘটনা খুঁটিয়ে শুনতে হবে, তোর পিসি আর মুনমুন নিশ্চয়ই বলতে পারবে কিভাবে কি হয়েছিল। 
পার্থ বলল কি দরকার এত সব ঝামেলা করার আবার? 
তবে ডাকলি কেন আমায়, হাত যখন  পুড়িয়েছি তখন তো পুরোটা না দেখে তো হাত গুটিয়ে নেব না। 
এরপর পার্থ চলে গেল  তার একটু পরেই সুব্রত একটা কালো চাদরে নিজেকে পুরো ঢেকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ল অজয়কে বলে গেল আমি আসছি দরজাটা বন্ধ করে দে, আমি না আসা অবধি  দরজা খুলিস না 
কোথায় যাচ্ছিস?  
আসছি একটু যত কাণ্ড রাত্রি নিশিথে বুঝলি? 
সুব্রত  পা টিপে টিপে নীচে নেমে গেল,  হঠাৎ  চেনা গলার আওয়াজ পেয়ে থমকে গেল আর যেতে হলনা তাকে ফিরে এল । অজয় কে বলল একেবারে জ্যামিতির এক্সট্রা বুঝলি  বেশ মাথাটা নড়ে যাচ্ছে। 
পরের দিন সবাই হলঘরে জময়েত হয়েছে পুলিশও এসেছে, সুব্রত প্রশ্ন করল ঘরে সে সময়ে মোটামুটি ছিল পিসি মুনমুন আর যে গান শেখাচ্ছিল তাইত? 
মুনমুন  তো তো করে বলল আমি তো তখন গান শিখছিলাম না 
আমি যা ছক কশেছি স্থানীয় লোকজন আর তোমাদের বাহাদুর ইত্যাদিদের জিজ্ঞেস করে 
পরের দিন সুব্রত দেখল পার্থ ঢুকল তার বেশ একটু পরে গানের শিক্ষক অভিজিৎ ঢুকল তারও বেশ কিছু পরে ওদের দারোয়ান আর যারা বাড়ি পাহাড়া দেয় তারা ঢুকল বাহাদুর তো নেশায় চুর 
,তাই  দেখে সুব্রত রাগে গোঁ গোঁ করে  পুলিশ কে বলল আপনারা লাঠির বাড়ি দিয়ে এর নেশা কাটান। পুলিশ অফিসার জয়ন্ত সেন উঠলেন  তার শক্ত লাঠি নিয়ে সঙ্গে আরও দুজন চেলাও উঠল। 
জয়ন্ত সেন চুলের মুঠি ধরে তুলল বাহদুরকে, সে কাঁপতে কাঁপতে বলল হামি কিছু  দেখিনি আমিতো দারু পিকার শো গায়া থা, 
জয়ন্তকে কেমন ইনঅ্যাকটিভ মনে হল যতটা জোরের প্রয়োজন ছিল তা যেন সে দিচ্ছেনা। বারবার অসহায় ভাবে পার্থর পিসির দিকে তাকাচ্ছিল আর পিসি যেন অসহায় ভাবে কাঁদছিল। 
হঠাৎ দাড়োয়ান উঠে দাঁড়িয়ে জয়ন্তর দিকে আঙুল দেখিয়ে বলল এ বাবু পুলিশ হ্যায় কি খুনি হ্যায় ম্যায়নে আপনা আখো সে দেখা, 
জয়ন্ত কেমন তো তো করে বলল এই তুই কি দেখেছিস রে?  বিকাল সে পিসি আঔর তু দোনো মে বহুত বাক্ চিত  কিয়া ফির হাম লোগোকো বোলা  আচ্ছা সে দেখভাল কর হামি তোমাদের জন্য ভাল দারু এনে দেব। 
তখনি  হামার মনে নেহি পিয়েগা ইয়ে কুছ করনেকা মতলেব মে হ্যায় আউর হাম লোগোকো দারু পিলাকার আউট করকে ফাঁসা দেগা আপলোকই বাতাইয়ে না কোই পুলিশ কভি পহারাদারকো দারু দেগা। 
জয়ন্ত বাবু মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়ল। 
জয়ন্ত বাবাু তো  বডি নিকাল লিয়া। 
সবাই তো হতবাক এবার সুব্রত বলল ভালোয় সব ঘটনা বলে দিন তানা আমরা থানায় গিয় সত্যি বলতে বাধ্য হব। 
জয়ন্ত বলল, আমি এখানকারই ছেলে মনোরমার সাথে আমার ছোটবেলা থেকেই  ভাব ভালবাসা কিন্তু ওর দাদারা অন্যত্র বিয়ের ঠিক করেন মনোরমার হাজার চোখে জলেও ওদে মন গলে না। এক মদ্যপ অত্যাচারী মানুষের সাথে ঘর করতে করতে ও ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল, শেষকালে আমাকে জিজ্ঞেস করল কি করব?  আর তো পারছিনা, নিজের ওপর হওয়া অত্যাচার সহ্য করি, অকারণে আমার  মেয়েরটার ওপর হওয়া অত্যাচার সহ্য করতে পারছিনা। 
বাপ হয়ে মেয়ের শাড়ি খুলতে গিয়েছিল মুনমুন চিৎকার করে উঠেছিল অভিজিতও তৎক্ষনাৎ উঠে মারবার মতন একটা কিছু খুজছিল ঠিক সেই সময় সানগ্লাস পড়ে মুখটা ঢেকে গুলি চালিয়ে সমাজে একটা মেয়েরও অন্তত  ধর্ষণ থেকে বাঁচালাম। 
সুব্রত বলল আমার কাজ শেষ প্রথম থেকেই বডি পাচার নিয়ে আমার  সন্দেহ হয়েছিল  পাড়া প্রতিবেশীর সাথে কথা বলে জেনেছি পুলিশ  এসেছিল এবং পুলিশ কে বডি সরিয়ে নিতে তারা দেখেছে। তখন থেকেই আমার জয়ন্তর ওপর সন্দেহ ছিল। যাক গে সমাজের কিছু আবর্জনা সরিয়ে ফলতে শেয়াল কুকুরদের মেরে ফেলতে হয়। 
এই বাড়িতে জানি আমার কথার কোন দাম নেই আপনাদের জেদে দুটো ভালবাসা অকারণ কষ্ট পেয়ে গেছে একটা অত্যাচারী স্বামীর হাতে তুলে দিয়ে ওর জীবনটা বরবাদ করে দিয়েছেন । 
এবার ওদের চারহাত এক করে প্রায়শ্চিত্ত করুন। 
হ্যাঁ সব হবে তবে আপনাদেরকে ও থেকে নিমন্ত্রণ খেয়ে যেতে হবে। 
সে দেখা যাবে বাড়িতে বউদের সব একা রেখে এসেছি আমাদের কাল ফিরতেই তবে আমার শুভেচ্ছা সবসময় থাকবে। জয়ন্ত বাবু একটা উপযুক্ত কাজ করে 
একটি মেয়েকে নতুন ভাবে বাঁচতে সাহায্য করেছেন। অনেক অভিনন্দন রইল ।


এ জাতীয় আরো খবর