ভাওতাবাজি দিয়ে কিনেছিলি
আমার মনের জমিটি,
তোর কথাগুলো যাচাই করার
বসে গেছে আজ কমিটি।
বলেছিলি তুই তারাদের নাকি
গজল শোনাবি সন্ধ্যায়,
কবিতাগুচ্ছ প্রেরণ করবি
মেঘমালাদের ঠিকানায়।
উপন্যাসের নির্যাস নিয়ে
জোছনাকে দিবি উপহার,
ছোটগল্পের পাঁচন গেলাবি
তপনের মুখ হলে ভার।
মরা গাছে তুই ফুটাবি কুসুম
কলমে আনবি সুনামি,
বুনোহাঁসও নাকি ইতিহাস হবে
যদি তুই হোস ঘরামি।
সব ভুলে গেলি সংসার পেয়ে
ঘটিবাটি তোর হল সই,
তেল ছিঁটে হাতে ফোস্কা পড়ে
তবুও রাঁধিস তেলকই।
হারমোনিয়ামে ধুলোর পরত
খাতাতে পড়ে না হাতটা,
শব্দের পাশে শব্দ বসিয়ে
করাস না আঁতাতটা।
এত মিথ্যের জাল বুনে যেন
আমাকে করলি অপমান,
গতানুগতিক ভাবধারাতে
দেব না করতে তোকে স্নান ।
লাল টুকটুকে নতুন ডায়েরি
দিলাম আজকে উপহার,
নীল-কালো-লাল-সবুজে লিখবি
উপসংহার বারবার।
সপ্ত সুরের তরণী ভাসিয়ে
ছুটবি বেতারে গাইতে,
আমি হব তোর প্রেরণা মাত্র
সখের তরীটি বাইতে।