বহতা নদীর মত নিরবে নিভৃতে এক বটবৃক্ষ যিনি প্রকাশে অল্পেস্বল্পে,
বেড়ে উঠা সকালের সোনা রোদে শেষ বিকেলের মনোমুগ্ধ চিত্র কল্পে,
শরীরের ঘামে রচিত হয় মহাকাব্য নামে লেখা রয় কতক জীবন গল্পে।
হৃদয়ের আ'লে আঁকাবাঁকা মেঠোপথে শিমুল,পারুল,দেবদারু,জারুল
কাঁঠালীফুল চাঁদনীপশর রাতে নরমমোলায়েম জ্যোৎস্নাতে খায়দোল।
আজও ভুলিছ কি একচুল?পাখি ডাকাভোর কাটাতে আঁধারের ঘোর!
স্মৃতিরা বয়েচলে সময়েরবাঁকে কিছু ছবি আঁকে খুলে দেয় বন্ধ দোর!
বিজয়ের পদচিহ্নে পরতে পরতে কখনো দেয়া যায় কি সমাপ্তি রেখা।
নির্মল বায়ুতে পরাণখোলা হাসিতে মনিঋষি ও সন্ন্যাসীতে যায় দেখা।
জীবনকে আলোকিত করতে আলোর মানুষ গড়তে সোনা ঝরা ছবি
রাঙাতে মনের মনিকোঠাতে নিন্তর ভাবনাতে প্রহর গুনছে এক কবি,
নিরলস প্রচেষ্টাতে সেই তো আঁধার রাতে পথ প্রদর্শক হৃদয়ের রবি।
এই তো বাবা আমার বাবা,মনমন্দিরে কেবা চিরকালের কিংবদন্তি
মহাকালের,মহাবিশ্বের মহাবিশ্বয় স্রষ্টার শ্রেষ্ঠসৃষ্টি মায়াবী পয়মন্তি।
২০ জুলাই ২০১৭ প্রাণবায়ুর অবসান সেই হতে মম নিত্য ব্যথা দান,
আজও গাই বাবা গো তোমার গুনগান দিয়েগেছ নিরবতা সুনশান!
হারিয়েছি তোমায় কভু হারাইনি মান হৃদয়ে বাবা তুমি চির অম্লান।