পশ্চিম আফ্রিকার দেশ ঘানায় ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো একজন কর্মরত প্রধান বিচারপতিকে দুর্নীতির অভিযোগে বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার দেশটির প্রেসিডেন্ট জন মাহামা এক বিবৃতিতে জানান, প্রধান বিচারপতি গার্ট্রুড আরাবা এসাবা স্যাকি টোরকোনোর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো প্রমাণিত হওয়ায় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে।
৬১ বছর বয়সী টোরকোনো ২০২৩ সালে ঘানার উচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং তিনি ছিলেন দেশটির তৃতীয় নারী প্রধান বিচারপতি। তবে অভিযোগ ওঠার পর থেকেই তিনি সাময়িক বরখাস্ত ছিলেন। তদন্তে বিচারিক নথি জালিয়াতি ও সরকারি তহবিল অপব্যবহারের মতো গুরুতর অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
প্রেসিডেন্ট মাহামা অভিযোগ তদন্তের জন্য সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারপতির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি কমিশন গঠন করেছিলেন। সেই কমিশনই টোরকোনোর অপসারণের সুপারিশ করে।
এ বিষয়ে সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আলফ্রেড টুয়া-ইয়েবোয়া সতর্ক করে বলেন, এই সিদ্ধান্ত বিচার ব্যবস্থার জন্য ‘বিপজ্জনক নজির’ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তার মতে, এমন পদক্ষেপ কেবলমাত্র খুব গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রেই গ্রহণযোগ্য হওয়া উচিত।
প্রেসিডেন্ট মাহামা জানুয়ারি মাসে দায়িত্ব নেওয়ার পর দুর্নীতি দমনের অঙ্গীকার করেছিলেন। তবে টোরকোনোর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হবে কিনা, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
কীওয়ার্ডস: ঘানার প্রধান বিচারপতি বরখাস্ত,জন মাহামা দুর্নীতি বিরোধী পদক্ষেপ,গার্ট্রুড টোরকোনো সংবাদ,আফ্রিকার বিচারব্যবস্থা সংকট,ঘানার দুর্নীতি মামলা