চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলায় ৮০০০ লিটার ডিজেল পাচার চেষ্টা মামলায় দুই ফিলিং ষ্টেশন কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলেন,মেসার্স ভোলাহাট ফিলিং ষ্টেশনের মালিক আব্দুল লতিফের ভাই, ফিলিং ষ্টেশনের ম্যানেজার ও ভোলাহাটের গোহালবাড়ী ইউনিয়নের খানেআলমপুর গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে সাখাওয়াৎ হোসেন মজু (৩৮) এবং ফিলিং ষ্টেশনের ক্যাশিয়ার ও মালিকের ভাগিনা গোহালবাড়ির বজরাটেক আলীসাহাসপুর গ্রামের মো.জাকিরের ছেলে রাশিদুল ইসলাম হৃদয়(২৫)। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে ফিলিং ষ্টেশন এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তারের পর আদালতে পাঠানো হয়।
এর আগে বুধবার সকাল ১১টায় ওই তেল পাচারের প্রতিবাদে ভোলাহাট সদরে ভূক্তভোগি জনগণের ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচী থেকে পাচারকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার ও উপজেলাবাসীর জন্য তেল সরবরাহের দাবি জাননো হয়। বক্তব্য দেন, ভোলাহাট উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শাহনাজ খাতুন,উপজেলা সুজন সম্পাদক রুবেল হোসেন, বিএনপি নেতা আব্দুল আজিম, জুবায়ের হাসান, জামায়াত নেতা মাসুদ রানা,কৃষক ইউনুস আলী প্রমুখ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, গত সোমবার(২৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার ফলিমারি বিলে মধ্যে অবস্থিত মো. দোয়েলের (৪০) মালিকানাধীণ মেসার্স হিরো ইটভাটায় তেলপাচার হচ্ছে মর্মে গোপন খবরে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় ৭/৮ ব্যাক্তি পালিয়ে গেলেও জব্দ হয় ৮ হার্জা লিটার তেলভর্তি একটি ট্যাংকলরি,২টি ব্যাটারিচালিত রিক্সাভ্যান ও ৫টি ভটভটি সহ মোট ৮টি গাড়ি। উর্ধতণ কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর এ ঘটনায় মঙ্গলবার(২৮ এপ্রিল) রাতে ভোলাহাট থানায় ভোলাহাট থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) সাখাওয়াত হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৭/৮ জনের নামে মামলা করেন।
ভোলাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল বারিক জানান, ভাটায় কয়েকটি ড্রামে ও কন্ট্ইেনারে লরি থেকে তেল খালাসের সময় পুলিশ ওই ভাটায় হানা দেয়। তেল জব্দের ঘটনায় জনগণের মধ্যে ক্ষেভের সৃষ্টি হয়। তবে জব্দ লরির (চট্র মেঠ্রো-ঠ-৪১-০৮৩০) ও তেলের কোন মালিক এখনও পাওয়া যায় নি। ঘটনার তদন্ত চলছে বলেও জানান ওসি।