শনিবার, মে ২, ২০২৬

তৈরি পোশাক রপ্তানি বিপর্যয়ের মুখে,৩৫% মার্কিন শুল্কে মিলছে ভয়

  • নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • ২০২৫-০৭-০৯ ০১:০৯:৩০
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও অন্যান্য পণ্যে যদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ৩৫% অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেন, তাহলে মোট শুল্ক হার দাঁড়াবে প্রায় ৫০%। বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এই উচ্চ শুল্ককে একটি বড় ঝুঁকি বলে অভিহিত করেছেন-যা খাতের স্থিতিশীলতা ও কর্মসংস্থান ভয়াবহভাবে বিধ্বস্ত করতে পারে।
তিনি বলেন, “যদি ৩৫% অতিরিক্ত শুল্ক কার্যকর হয়, তাহলে গড়ে ৫০% শুল্ক দিতে হবে-যা রপ্তানির জন্য বড় ধরনের বিপদ।”
বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় ভিয়েতনাম, ভারত ও অন্যান্য দেশুও এখন সুবিধাজনক শুল্ক পরিবেশে চলছে।
“আমাদের পোশাককারখানাগুলোর ৫০% এর অধিক শুল্ক খরচ আমদানিকারকরাই বহন করবে না”-এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে বিপুল কারখানা বন্ধ হতে পারে।
২০২৪ সালে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রপ্তানি করে ৭৩৪ কোটি ডলার, যার ২০% মার্কিন বাজারে যায়।
৫০% শুল্ক আরোপ হলে সম্ভবত যতটা শুল্ক দিতে হবে তা দাঁড়াতে পারে ৩৫০ কোটি ডলারের বেশি।
ফ্যাশন ইউনাইটেড জানাচ্ছে-সরকারের মাধ্যমে এমনকি বাণিজ্য চুক্তি আলোচনায় বাংলাদেশ এখনও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক বসিয়ে সমস্যার সমাধান খুঁজছে।
জয়েন্ট স্টেটমেন্ট অনুযায়ী, মিনিস্ট্রি অব কমার্সের দুই কর্মকর্তা বর্তমানে ওয়াশিংটনে এই বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিয়েছেন।
বিজিএমইএ সভাপতি আশার সুরে বলেছেন: “আমরা এখনও আশাবাদী-শুল্ক হার ১০%–২০%–এর বেশি হবে না। তবে ৩৫% হলে যারা বিকল্প খুঁজছে, তারা ভিয়েতনাম বা ভারত থেকে পণ্য নিয়ে যাবে।”
ভিয়েতনাম ইতোমধ্যেই ২০% শুল্কে আমদানির চুক্তি করেছে যা বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। 
সরকারি কূটনৈতিক সমাধান ও যৌথ বাণিজ্য আলোচনার উপর চাপ বাড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মাহমুদ হাসান।
শুধু গার্মেন্ট খাত নয়-ট্রাম্পের ঘোষণার আওতায় তামা, সেমিকন্ডাক্টর, ফার্মাসিউটিকালসেও উচ্চশুল্ক প্রতিরূপ দেখানো হচ্ছে।
ইউরোপ, চীন ও অন্যান্য দেশ শুল্ক আলোচনায় বসছে-বাংলাদেশও সচেতনতা বাড়িয়েছে।
এই শুল্ক বাস্তবায়িত হলে:
ইফেক্ট                                                      বিশ্লেষণ
বাজার হার          ৫০% শুল্কে মার্কিন বাজার থেকে বিপুলসংখ্যক অর্ডার স্থানান্তর হতে পারে
কম্পিটিটিভ চাপ ভিয়েতনাম-ভারতের তুলনায় খরচ বাড়ে
শ্রম বাজার         ক্ষুদ্র ও মাঝারি কারখানায় বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি
নৈতিক নিরাপত্তা বাণিজ্য বাকি থাকতে হলে কূটনৈতিক ও বাণিজ্য আলোচনার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে
বিজিএমইএ ও সরকার এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতেই চায়। তবে ৩৫% হারে শুল্ক বজায় থাকলে ভবিষ্যতে দামের উপর চাপ বেড়ে যেতে পারে।

কিওয়ার্ডসঃবাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক ২০২৫,তৈরি পোশাক রপ্তানি সংকট,BGMEA শুল্ক প্রতিক্রিয়া,যুক্তরাষ্ট্র ৩৫ শতাংশ শুল্ক ট্রাম্্‌,ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশ বাণিজ্য,পোশাক শিল্প ঝুঁকি ২০২৫,গার্মেন্টস এক্সপোর্ট ট্যারিফ,Bangladesh apparel export crisis,US tariff on Bangladesh garments,Trump trade policy 2025,Bangladesh vs Vietnam garments,পোশাক রপ্তানি বন্ধের আশঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে সমস্যা,৫০ শতাংশ শুল্ক গার্মেন্টস,বাংলাদেশ বাণিজ্য কূটনীতি


এ জাতীয় আরো খবর