গৃহবধূর কোনো প্রচলিত পুরুষ লিঙ্গ সম্ভবত নেই।
অনেক ভেবে মনে হলো কাছাকাছি একটা শব্দ হতে পারে ঘরজামাই
যা একটা নেতিবাচক ধারণা।
শুধুমাত্র একজন দুর্বল পুরুষই ঘরজামাই হতে পারে।
কিন্তু নিজের দুর্বলতাকে মেনে নিয়ে প্রচলিত সামাজিকতার বিপরীত
একটা ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে পারার মধ্যে কি এক ধরনের শক্তি নেই?
মেয়েরা বিয়ের পর শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে পুরোটা জীবন
নির্ভরশীল হয়ে কাটিয়ে দেবে এটাই আপনারা কামনা করেন,
অথচ একই কাজ একজন পুরুষ করলে আপনারা তাকে ধিক্কার দেন,
টিটকারি দেন, আড়ালে আবডালে হাসাহাসি করেন এটা কেমন কথা?
পুরুষদের প্রতি এই সামাজিক অবিচারের প্রতিবাদ জানাই।
ঘরে ঘরে ঘর জামাই জন্ম নিক, কিছু ক্ষেত্রে পুরুষরাও নারীর প্রতি নির্ভরশীল হোক,
নারী-পুরুষের মধ্যে সামাজিক সমতা আসুক -এই দাবি জানাই।