না! আর পারচ্ছি না আমি
জীবন নামক পথ ধরে হাজার হাজার মাইল হাটতে,
কারণ আমি খুবই ক্লান্ত।
আর পারচ্ছি না নিজেকে চালাতে,
পড়ন্ত শেষ বেলায় এসে ঝিমিয়ে পরেছি আমি।
যেদিকে তাকাই সেদিকেই দেখি শুধু মরুভুমি,
পৃথিবীর মানুষ গুলো কেউ শান্তি তে নেই যেনো ।
চারপাশে শুধু ডেংগু আতংক দেখিতে পাই।
প্রতিনিয়ত মৃত্যুর ভেলায় চড়ে জীবন সাগর পাড়ি দিতে দিতে আমি এখন ক্লান্ত।
চৈত্রের অগ্নি ঝরা কাঠফাটা রোদের তাপে আমি খুবই তৃষ্ণার্ত।
পানি পানি করে গলাটা শুখিয়ে কাঠ হয়ে যাচ্ছে
অথচ কেউ নেই এক গ্লাস পানি দেবার মতো।
কে দেবে?
যে দিবে আমায় সে তো আমার পাশেই প্রচন্ড জ্বরে পরে আছে, একশ চার ডিগ্রি জ্বর,
সাথে প্রচন্ড মাথা ব্যাথা, বমি করেছে কয়েক বার,
বিছানা থেকে উঠতে পারছে না মেয়ে টি আমার।
কি আর করার আছে পাথর চাপা কষ্ট বুকে নিয়ে
তবুও হামাগুড়ি দিয়ে দিয়ে পানির গ্লাস হাতে নিলাম,
আর মনে মনে ভাবলাম হায় রে জীবন।
কতই না স্বপ্ন দেখেছিলাম জড় পদার্থের শুষ্কতায়,
পাথরের খুঁজেছিলাম জীবনের অস্তিত্ব।
কোথায় হারালো সেই স্বপ্ন?
কতো স্বপ্ন নিয়ে জঠরে ধারণ করে ছিলাম সুপুত্র।
ভুলেই গিয়েছিম আমি সব ফুলে ফল হয় না,
আর যে ফুলে ফল হয় সে ডাল কখনো কখনো আবার ঝড়ে ভেঙ্গে ও যায়।
বাগানে ফুল- ফলে ভরা থাকিলে ও, নষ্ট মনে কষ্টে বড়ই ক্লান্ত আমি!
কি আর লিখবো ব্যর্থতার ইতিহাস,
ভুলে ভুলে জনম গেলো শেষ হয় না যে কভু,
তাই দুহাত তুলে প্রাথনা করি ভুল শুধরিয়ে দাও হে দয়াময় প্রভু।