সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন উপলক্ষ্যে নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের অনুষ্ঠান
- মো: জিলহাজ্ব হাওলাদার
-
২০২৩-০৭-২৭ ০৭:৪৯:২৭
- Print
দলীয় কার্যালয়, ২৬ জুলাই
২৭ জুলাই গৌরবোজ্জ্বল সংগ্রাম ও সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে ৩০ বছরে পদার্পণ করলো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন "বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ।” বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীকে ১৯৯৪ সালে ২৭ জুলাই “বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ” নামে নতুনভাবে ঢেলে সাজাতে কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমকে দায়িত্ব দেন বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনা। আশি এবং নব্বই দশকের এক ঝাঁক সাবেক ছাত্র নেতাদের নিয়ে দেশরতœ শেখ হাসিনা’র নির্দেশে আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম শুরু করেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ পূর্ণগঠনের। ২০০৩ সালের ২৭ জুলাই বর্ণাঢ্য সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নির্বাচিত হয়ে সারা দেশের প্রতিটি জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা, পৌরসভা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও গ্রাম পর্যায়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি ছড়িয়ে দিয়ে সংগঠনকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দান করেন। ২০০৯ সালের ২৪ জুলাই আওয়ামী লীগের সম্মেলনে তিনি সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পান এবং ২৯ জুলাই আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের বর্ধিত সভায় সকল নেতাকর্মীকে কান্নায় ভাসিয়ে এক সঙ্গে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ পদে না থাকার যৌক্তিক কারণ দেখিয়ে সংগঠনের সহ সভাপতি এ্যাড. মোল্লা মোঃ আবু কাউছারকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব প্রদান করেন। এরপর থেকে অদ্যাবধি জননেতা কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এর পরামর্শ ও নির্দেশনায় পরিচালিত হয়ে আসছে স্বেচ্ছাসেবক লীগ।
এদিকে, ২৭ জুলাই বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্ঠা সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন। বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এর জন্মদিন উপলক্ষে গতকাল বুধবার রাতে দলীয় কার্যালয়ে খুলনা মহানগর ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত কেককাটা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে কেককাটেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষেদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ হারুনুর রশিদ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তৃতাদেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা এমডিএ বাবুল রানা। কেককাটা অনুষ্ঠানের পূর্বে আলোচনা অতিথিবৃন্দ বক্তৃতায় বলেন, ছিয়ানব্বই এর অসহযোগ আন্দোলন, ২০০১ সালের ১ অক্টোবর নির্যাতন পরবর্তী বিএনপি- জামাতের তান্ডব এর প্রতিবাদে দেশরতœ শেখ হাসিনা ঘোষিত সকল আন্দোলন-সংগ্রামে আওয়ামী লীগের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবক লীগ ছিল অগ্রভাগে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২০০৪ সালে ২১ আগস্ট বর্বোরোচিত গ্রেনেট হামলায়ও নারী নেত্রী আইভি রহমান নিহত হন সেখানে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সাথেও বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের অনেক নেতাকর্মী গুরুত্বর আহত হন। অনেক নেতাকর্মী এখনও গ্রেনেডের স্পিøন্টার বয়ে বেড়াচ্ছে। তিনি আরও বলেন এখন বিএনপি জামায়ত বিভিন্ন দিক থেকে ষড়যন্ত্র লিপ্ত। ২০১৩-১৪ সালে তারা যেমন অগ্নি সন্ত্রাস করে মানুষ হত্যা করেছিলো, আজও তেমনি তারা মানুষের জানমাল ক্ষতি করার জন্য সর্বদা সক্রিয়। তাদের সম্পর্কে আমাদের সর্বদা সজাগ থাকতে হবে তাদের ষড়যন্ত্র আমাদের প্রতিরোধ করতে হবে। তিনি আরও বলেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ আজ খুলনাতে সাংগঠনিক ভাবে ভাল করছে। আগামীর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে পুনরায় ক্ষমতায় আনতে আমাদের একযোগে কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্যদেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ শহিদুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মুন্সি মাহাবুব আলম সোহাগ, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক শেখ মো: ফারুক হোসেন হিটলু।
নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এম এ নাসিমের সভাপতিত্বে কেককাটা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শেখ মো. আবু হানিফ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান রাসেল। মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক এস.এম আসাদুজ্জামান রাসেলের পরিচালনায় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ড: সাঈদুর রহমান, মোঃ মাসুম বিল্লাহ, কাজী ইউসুফ আলী মন্টু, মোঃ মিজানুর রহমান জিয়া, ইসরাফুল জামান খান শাকিল, মীর রবিউল আলম, মোঃ রাজীব হোসাইন, শাহরিয়ার মাহমুদ রিয়াদ, বিজয় কুমার দে মিঠু, বায়জিদ হোসেন, মোঃ সরোয়ার হোসেন গহন, মোঃ রেজাউল ইসলাম রাজা, কুমারেশ মন্ডল, মোঃ মঈনউদ্দিন মাসুদ রানা, এইচ এম কামাল হোসেন, মোঃ আব্দুল মান্নান শেখ, মোঃ তাজমুল হক তাজু, এস.এম. আসিফ ইকবাল সবুজ, মোঃ ইখতিয়ার উদ্দিন মোল্লা, আবু সালেহ বাবু, আবীর মালিক, রফিকুর রহমান মারুফ, মোঃ হুমায়ুন শিকদার, লিটন মাহমুদ, সুরজিত মন্ডল রবীন্দ্রনাথ ধর, মোঃ ওহিদুজ্জামান, মোঃ জিলহাজ হাওলাদার, মোঃ আবু সাঈদ খান, মোঃ মোজাহার হোসেন মোজ, মোঃ রিপনুজ্জামান রিপন, মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব, তাসকিন শরীফ, মোঃ আসাদুজ্জামান লিপন, মোঃ ইমরান হাওলাদার, গোলাম রাব্বানী মামুন, মোঃ ফরহাদ হোসেন, মোঃ আসাদুল ইসলাম সানি, ইঞ্জি. মোঃ ইসমাইল সুমন, শেখ মোস্তাফিজুর রহমান বাদল, মোঃ শুকুর আসলাম শ্রাবণ, মোসাঃ সুরভী আক্তার লাইজু, মোঃ রফিকুল ইসলাম কাজল, মোঃ খান আজিম হিজল, সাব্বির আহমেদ, মশিউর রহমান, মোঃ ইমরান হোসেন সাগর, খান মোসাদ্দেক হোসেন ইমন, মোহাম্মদ পিয়াল, রফিকুল ইসলাম খান, মোঃ হাসান শেখ, মোঃ জাকির হোসেন খোকন, মোঃ রবিউল ইসলাম প্রিন্স, আরিফুল ইসলাম অনিক, হামিদা বেগম, কাউন্সিলর শরিফুল ইসলাম প্রিন্স, রেয়াজাদ হোসেন জন, আলী আজগর আকন, মোঃ নাসির উদ্দিন, মোঃ আকরাম হোসেন, মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান কামাল, কাজী মোঃ জায়েনুর ইসলাম বাবু, গোলাম মাওলা টিংকু, জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, শরিফুল ইসলাম অভি, মোঃ ইব্রাহিম মোড়ল, আতিকুর রহমান সোহাগ, নজরুল ইসলাম নবী, আহসান হাবিব রুবেল, মোহাম্মদ খালিদ হোসেন তুহিন, ফাহিদ হোসেন ঐশ্বর্য।