আজমল হোসেনের ভাবনায় পানি ঢেলে সামনে উপস্থিত হন বাকেরা বেগম। "আরে অত ভাবনের কিছু নাই, মেয়ে এখন বড় হইছে। লজ্জা-শরম পাওনই ভালা। ধরো, বাজারের ব্যাগ। ভালো দেইখা একটা ইলিশ আইন্যো। তোমার মাইয়া আইজ কয়দিন ইলিশ খাওনের লাইগা অস্থির হইয়া আছে।"
মৃদু হাসে আজমল হোসেন। স্ত্রীর হাত থেকে বাজারের ব্যাগ নিয়ে রওনা দেয়।
রাতের বেলা। কুপি ধরিয়ে পড়তে বসে বকুল। ঝিঁঝিঁ পোকার ডাকে মাথা ধরে আসে বকুলের। পড়ায় মন বসে না। রাতুলের কথা বার কয়েক মনে পড়ে। নিজের মনকে শক্ত করার প্রয়াস চালায় বকুল। মনে পড়ে তার স্কুলের আরবি হুজুরের কথা। তিনি আজকে ক্লাসে অনেক ভালো ভালো কথা বলেছিলেন। বলেছিলেন, "শয়তান আমাদের প্রকাশ্য শত্রু। সে আমাদের বারবার বিপথে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবে। কিন্তু, আমাদের হার মানলে চলবে না। নফসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে।"(চলবে)