দুঃখ এবং আনন্দের দুটি দরজা খুলে দিলাম ; কবিতা আমাকে পড়বে, কবিতা আমাকে লিখবে
কোষে কোষে অগণিত ভেদরেখা
কবিতা তা দেখবে, ভ্রমণ করবে
আমি খুলে দিলাম দশ-দিগন্ত, খুলে দিলাম বিপুল জানালা
চোখের চারুপ্রান্ত, বাহুমূল
শোভিত আলোর অরণ্য,
নিঝুম অন্ধকারের পাহারাদারকে আজ থেকে ছুটি দিয়ে দিলাম
কবিতা কাছে আসবে, কবিতা আমাকে ছু্ঁয়ে দেবে।
আমার ভিতর অদৃশ্য আকাশসমুহ
আকাশের দুয়ার ভেদ করে বজ্রের আগুন,
মেঘের সাথে আলাপ চারিতায় কবিতা আস্বাদন করবে
আগুন ছাড়া বাঁচার কোনো পথ নেই
মোহনীয় সুদূরে বিকিরণ রশ্নি কিংবা জলন্ত কয়লার ম্যানুয়ালে শশব্যস্ত উষ্ণতা পোশাক থেকে খুলে নেবে বোতাম,
পাঁজরে উচ্ছৃঙ্খল ঢেউয়ের হাঁকডাকে আতংকিত না হয়ে কাছাকাছি কোনো প্রাসাদে ঢুকে যাবে কবিতা,
ওখানে কবিতা আমাকে একলা পাবে
ওখানে কবিতা আমাকে উলঙ্গ করতে পারবে আপাদমস্তক ব্যবচ্ছেদ করতে পারবে সময়ের আবরণ তুলে তুলে
কবিতা, আমি আর কোনোদিন তোমাকে লিখবো না
আজ থেকে তুমি আমাকে লিখবে…