বুধবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬

কাতার থেকে এলএনজি সরবরাহে অনিশ্চয়তা,অক্টোবর পর্যন্ত কার্গো বাতিলের শঙ্কা

  • আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • ২০২৬-০৯-০২ ১০:১৭:৫৮
ফাইল ছবি

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক না হওয়ায় বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ক্রেতাদের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহে চুক্তিগত দায়মুক্তির মেয়াদ আরও কয়েক সপ্তাহ বাড়িয়েছে কাতারএনার্জি। ফলে বাংলাদেশে কাতার থেকে এলএনজি কার্গো বাতিলের ধারাবাহিকতা আগামী অক্টোবর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।
সম্প্রতি প্রকাশিত ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, পারস্য উপসাগরে অপরিশোধিত তেল পরিবহনে বিকল্প পথ ব্যবহারের কিছু সুযোগ থাকলেও এলএনজি পরিবহনের ক্ষেত্রে জাহাজ থেকে জাহাজে স্থানান্তর পদ্ধতি কার্যকর নয়। এ কারণে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় কাতারের এলএনজি রপ্তানি কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।
রয়টার্স ও তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান আইসিসের হিসাব অনুযায়ী, সংকট শুরুর পর কাতারের এলএনজি রপ্তানি ৯৬ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। গত বছরের একই সময়ে কাতার ৫০৯টি এলএনজি কার্গো পাঠালেও এবার পাঠাতে পেরেছে মাত্র ১৮টি। এতে কাতারএনার্জির সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এই সংকটের প্রভাব শুধু বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মতো আমদানিনির্ভর দেশেই সীমাবদ্ধ নেই, ইউরোপের ক্রেতারাও এর বাইরে থাকছে না। ইতালির জ্বালানি প্রতিষ্ঠান এডিসন জানিয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে চুক্তিগত দায়মুক্তির সময়সীমা আগামী নভেম্বরের শুরু পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
হরমুজ প্রণালিতে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থার কারণে কাতারের এলএনজির ওপর নির্ভরশীল দেশগুলোর জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি আগামী দিনগুলোতে আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে বিকল্প উৎস থেকে দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে এসব দেশে জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় বাড়তি চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এলএনজি, কাতার, হরমুজ


এ জাতীয় আরো খবর