সরকারের বিভিন্ন দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা পদগুলোতে দ্রুত নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, জনসেবার গতি বাড়াতে এবং নাগরিকদের আরও সহজে সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।
বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পদ বর্তমানে খালি রয়েছে। এসব পদ পূরণ করা হলে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে এবং জনগণ দ্রুত সেবা পাবে। এ কারণে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, শূন্য পদগুলোতে নিয়োগের প্রক্রিয়া যত দ্রুত সম্ভব শুরু করা হবে।
বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তারকা চিহ্নিত কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি এবং সংশ্লিষ্ট সম্পূরক প্রশ্নেরও জবাব দেন।
এ সময় এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার মোট ৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার শূন্য পদের বিপরীতে ২ হাজার ৮৭৯ জনকে নিয়োগের কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে।
অন্য এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী দেশের সব অঞ্চলের সমান উন্নয়নের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনায় সরকার দলীয় ও বিরোধী দলের নির্বাচনী এলাকার মধ্যে কোনো বৈষম্য করতে চায় না।
প্রধানমন্ত্রী জানান, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে উন্নয়ন সহায়তা বণ্টন নিয়ে একটি বিষয় উত্থাপিত হলে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের সার্বিক ও সমতাভিত্তিক উন্নয়নে বিশ্বাসী। সরকারি দলের প্রতিনিধিদের মতো বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের এলাকাতেও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
কী-শব্দ: সরকারি নিয়োগ, শূন্য পদ, সংসদ