বে-নামী সন্ধ্যে গুলো ঢলে পড়ে কুমারী চাঁদের হাটে...
সন্ন্যাসী আদর টুকু স্পর্শ পায় গ্রীবার ছিন্ন ইতিহাসে...
নিদ্রাহীন সপ্তর্ষির নুয়ে থাকা অভিমানী একজোড়া চোখ...
কবিতার শরীরে আড়মোড়া ভাঙ্গে !
সময় উদাসীন ! আ-দিগন্ত বিস্মৃতির কোলাহল !
রাত শেষের হলুদ চাঁদ বিসর্জনের মুহূর্ত আঁকে !
পল্লী রমনীর আঁচলের ভাঁজে নামহীন দিক-শূন্য ওড়াউড়ি...
দৃষ্টিকে সন্ন্যাসী মায়ায় লেপ্টে শিল্পের উৎসব গড়ি!
যেন ঘুমহীন চোখে কবিতা যাপন... উতলা চাতক !
জীবন জাগাতে চেয়ে বেহিসেবী অক্ষর করমচা রঙের সিক্ত দাগে
শারদীয়া প্রচ্ছদ সাজিয়ে তুলি !
... ঠিক তখন-ই , নীল সমুদ্রে আছড়ে পড়ে মধুর উত্তাপ !
আঁচলে ঢেউ-এর হাসিমুখ ... ভিজে চুলে আশকারা সোহাগ দেখায়...
ঠোঁটে ক্ষীণ হাতছানি... সৃষ্টির খেলায় হেলানো সন্ধ্যেবেলায়, বলে ---- "পারলে আমায় রাখো পায়ে স্পর্শ সুখ বন্যতায় "....
এভাবে মুহূর্তের আড়ালে ...
কবিতার জন্ম হয় !
মাদক ছলচ্ছল ধ্বনি...
চোখের পাতায় চুঁইয়ে পড়ে খোলা প্রান্তর ... সঙ্গোপনে ঝড় ওঠে...
ব্যতিক্রমী আরণ্যক মাদকতা আসক্ত...
কবিতা উপচে ওঠে বুকে, চাঁদের গল্প আকাশ জুড়ে জোছনা ছড়ায়...
আর,
আমি... !
অনুভূতির লুকোচুরি ফেলে সূর্যে ডুবে ইচ্ছে মতো পুড়ি...
(ভারত)