খুলনার পাইকগাছার দূর্গম পল্লী লতার শংকরদানা খেঁয়াঘাট (নির্মাণাধীন ব্রীজ)- কাঠামারী বাজার ভায়া তেঁতুলতলা কার্পেটিং সড়ক নির্মাাণে ঠিকাদারের অবহেলা ও শম্ভুক গতিতে এক পশলা বৃষ্টিতেই জনদূর্ভোগ চরমে পৌছেছে।
২ কোটি ৪৯ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২ হাজার ৯শ’ ৪০ মিটার কার্পেটিং রাস্তা নির্মাণে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান শুরুতে বেড কার্টিয়ের পর কিছু অংশে বালু ফিলিং করলেও সিংহভাগ ফেলে রাখায় চলতি বর্ষা মেসৈুমে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে সড়কে সরু খালের সৃষ্টি হয়েছে। এতে বিস্তীর্ণ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের চলাচলে অবর্ণনীয় দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয় ভুক্তভোগীরা অতি দ্রুত উন্নয়ন প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।
উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর সুত্র জানায়, আম্ফান প্রকল্পের আওতায় পাইকগাছা উপজেলার লতা ইউনিয়নের শংকরদানা খেঁয়াঘাট (নির্মানধীন ব্রীজ) হতে তেঁতুলতলা হয়ে কাঁঠামারি বাজার অভিমুখে ২ হাজার ৯শত ৪০ মিটার কার্পেটিং রাস্তা নির্মাণে ২ কোটি ৪৯ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়। টেন্ডারে প্রকল্পটির কার্যাদেশ পেয়ে চুয়াডাঙ্গার জাকাউল্লাহ এ্যান্ড ব্রাদার্স লিঃ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এর র্কাক্রম শুরু করেছে।
স্থানীয়রা জানান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পে বেড কার্টিয়ের পর একাংশে বালুভরাট করলেও অপর অংশ ফেলে রাখায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘ দিন প্রকল্পটি ফেলে রাখায় বৃষ্টি ও জোয়ারে স্লুইচগেট’র পানি চুইয়ে রাস্তার বেডে ঢুকে পরিণত হয়েছে সরু খালে। এ অবস্থায় বিস্তির্ণ জনপদের স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীসহ সাধারণ মানুষের চলাচলে দূর্ভোগ রিিতমত চরম পর্যায়ে পৌছেছে।
এব্যাপারে প্রকল্প এলাকায় অবস্থানরত ঠিকাদারের রোলার চালক টিটন বিশ্বাস জানান, তারা প্রকল্প এলাকায় অবস্থান করলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল না হওয়ায় প্রকল্প অভ্যন্তরে রোলার ঢুকাতে পারছেননা, বিধায় কাজ চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
৪ নং ওয়ার্ড সদস্য বিজন কুমার হালদার ভোগান্তির কথা উল্লেখ করে বলেন, রাস্তার কিছু অংশে বালু ভরাট করা হলেও বৃষ্টিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা নাজুক থাকায় সেখানে রোলার ঢুকতে পারছে না বিধায় কাজে অসুবিধা হচ্ছে।
এ বিষয় পাইকগাছা উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারি প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, মানুষের ভোগান্তি যেন না হয় সেজন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে পানি নিস্কাশনের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। পরিবেশ ভাল হলে প্রকল্প কাজ অতি দ্রুত এগিয়ে নেওয়ারও আশ্বাস দেন তিনি।