সোমবার, আগস্ট ১৭, ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যাবার প্রস্তুতি

  • জাকির হোসেন পিংকু,
  • ২০২৬-০২-১১ ২১:০৩:৪৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
প্রচারণা শেষে চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি আসনে ভোট ভোট ভাব অনেকটাই ফুটে উঠেছে। বিশেষ করে তিন আসনেই প্রধান প্রতিদ্বন্দি বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীদের শেষ দিনের শেষ মূহূর্তের প্রচারণার সাথে ছোট প্রার্থীরাও এ দিন সর্বোচ্চ প্রচারণা চালিয়েছেন।  ্এসবে নড়ে চড়ে বসেছেন  এতদিন চুপচাপ থাকা  অনেক ভোটারাই। নারী ও শিশুদেরও প্রকাশ্যে প্রচারণায় যুক্ত হতে দেখা গেছে। পুরোপুরি উৎসবের আমেজ না আসলেও ভোট নিয়ে শিথিলতা অনেক কেটেছে।  মাঠ পর্যায়ে সরেজমিনে কথা বলে বোঝা গেছে, বেশিরভাগ মানুষই ভোটটা হয়ে যাবার পক্ষে।
ভোটারদের মধ্যে যারা দলীয় সমর্থক তাঁরা প্রস্তুতি  নিতে শুরু করেছেন। তবে সিদ্ধান্তহীনতায়  রয়েছেন যারা কোন দলের সমর্থক নন তাঁরা। আর একদল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন  ভোট দিতে যাবেন কিনা, কিন্তু প্রকাশ করছেন না। তাঁদের কারও  আবার  সিদ্ধান্তের পরিবর্তনও হতে পারে এমন  আভাষও পাওয়া গেছে। কিছু মানুষের শংকা  এবং দ্বিধা থাকলেও শেষ মূহুর্তে তা কেটে ভোট যে হচ্ছে তা নিশ্চিত হয়েছেন অনিশ্চয়তায় ভোগা বেশিরভাগ মানুষ। প্রার্থীদের প্রচারণার পাশাপাশি প্রশাসনের প্রস্তুতি,নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতা এ অনিশ্চয়তা কাটাতে সাহায্য করছে। ফলে ধারণার চাইতে বেশি ভোটার ভোট দিতে কেন্দ্রে যেতে পারেন।
জেলা শহরের সদর ঘাটের চা দোকানদার আবু তালেব (২২) এবরাই প্রথম ভোট দিতে যাবেন। তাঁরা  বেশ কয়েকজন বন্ধু মিলে ভোট দিতে যাবার পরিকল্পনা করছেন। ভোটের দিন দোকান বন্ধ রেখে তাঁরা বন্ধুরা ভোট দিবেন ও কেন্দ্রে কেন্দ্রে  বেড়াতে যাবেন বলে জানালেন। শেষ সময়ে ভোটের ভাব বেড়েছে জানিয়ে এই দোকানদার বললেন, ভোট সুষ্ঠু হবে বলে আশা করা যায়। আগে একবার মেয়র ভোট দিয়েছেন তিনি।
শহরের পুরাতন বাজারের ফুটপাথের রেঁেস্তারা ব্যবসায়ী  ইব্রাহীম আলী(৫৮) ভোটের দিন সন্ধ্যায় দোকান চালু করার পরিকল্পনা করছেন। সারাদিন বিশ্রাম করবেন। ভোট দিতে যাবেন কি না তা ঠিক করেন নি। কারণ হিসেবে জানালেন, প্রতিদ্বন্দি বিএনপি ও জামায়াত উভয় প্রার্থীদের পক্ষে তাঁর নিকট বার বার ভোট চাওয়ায় তিনি ঠিক করতে পররছেন না কাকে ভোট দিবেন। তবে ভোটের দিন যদি কেউ বাড়িতে এসে আবারও ভোট চায় তবে কেন্দ্রে যেতে পারেন। দোকানে আসা কাষ্টমারদের মধ্যে শেষ সময়ে ভোটের আমেজ বেড়েছে বলে বোঝা যাচ্ছে বলেও জানালেন তিনি।
ভোটের ছুটিতে ঢাকা থেকে বাড়ি এসেছেন উর্ধতণ এনজিও কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান(৪৫)। তবে ঠিক ভোট দিতে এসেছেন এমন স্বীকার না করলেও বললেন,স্ত্রী,সন্তান,বাবা ও মা বাড়িতে থাকেন। ছুটি পেলেই আসি। অবস্থা বুঝে দেখি ভোট দিতে যাওয়া যায় কি না। জেলা শহরের স্বরুপনগর এলাকার এই বাসিন্দা বললেন,ভোট কখনও মিস করিনি। এ বার কি করব বাড়িতে সকলে মিলে ঠিক করব। নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা যাওয়া উচিত বলেই মনে করেন এই কর্মকর্তা। তাঁর বড়ভাই একটি দলের সমর্থক। তবে বাড়ির অন্য কেউ রাজনীতিতে তেমন আগ্রহী নন। হাফিজ নিজে সরাসরি কোন দ্যল না করলেও নিয়মিত দেশের হালচারের খোঁজ রাখেন। তাঁর ভাবে মনে হল ভোট দিতে যেতে পারেন। 


এ জাতীয় আরো খবর