মহেশখালী কক্সবাজার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩
মহেশখালী পৌরসভার প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত গোরকঘাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের খরিদ করা জমির তথ্য গোপন করে তালিকাভূক্ত রাজাকার মৃত জিন্নাত আলীর আপন ভাই,তালিকাভূক্ত রাজাকার মৃত মৌঃ ওসমান গনির আপন ভগ্নিপতি,মৌঃ নেজাম উদ্দিন হেলালী কর্তৃক গোরকঘাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি এবং সম্মানিত দাতা সদস্য মহেশখালী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি পৌর মেয়র আলহাজ্ব মকছুদ মিয়াসহ স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ,প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের জমি দখলের পায়তারা প্রেক্ষিতে বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে গোরকঘাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজনে ০৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১১ ঘটিকার সময় মহেশখালী উপজেলা চত্বরে এক বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মানববন্ধন শেষ মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন বিদ্যালয়ের কর্মরত শিক্ষক শিক্ষিকা বৃন্দ।
মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবর স্মারকলিপি শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দ হচ্ছেন-বাবু সৃষ্টিরাম দে (প্রধান শিক্ষক)আবদুর রহিম (সহকারী প্রধান শিক্ষক) জাহাঙ্গীর আলম (সহকারী শিক্ষক)আলো দে (সহকারী শিক্ষিকা) রিতা রানী দে (সহকারী শিক্ষিকা)আবুল কাসেম মনি (সহকারী শিক্ষক)রিনা আক্তার (সহকারী শিক্ষিকা)জান্নাতুল মাওয়া (সহকারী শিক্ষিকা)
সিরাজুল মোস্তাফা (সহকারী শিক্ষক) জিয়া উদ্দীন (সহকারী শিক্ষক) মঈন উদ্দীন (সহকারী শিক্ষক) মাহাবুব আলম (সহকারী শিক্ষক) রাজমিন আক্তার (সহকারী শিক্ষিকা)মাও. আবদুল গফুর (সহকারী শিক্ষক)সারজিয়া জাহান সাথী (সহকারী শিক্ষিকা)গোরকঘাটা উচ্চ বিদ্যালয়, মহেশখালী পৌরসভা, কক্সবাজার।
স্মারকলিপি সূত্রে জানা যায়-গোরকঘাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের খরিদ করা জমির তথ্য গোপন করে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও সম্মানিত দাতাসদস্য, মহেশখালী পৌরসভার টানা তিনবার নির্বাচিত মেয়র আলহাজ মকছুদ মিয়াসহ স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের জমি দখলের পায়তারার প্রেক্ষিতে বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদ ও মানববন্ধন।
গোরকঘাটা উচ্চ বিদ্যালয়- প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি আবু বকর ছিদ্দিকের নেতৃত্বে পরিচালনা কমিটি গঠনপূর্বক জমি খরিদক্রমে ১৯৯৬ সালে ভিত্তি স্থাপন করা হয়।
বিদ্যালয়টি তখন হতে অনানুষ্ঠানিকভাবে ২০১৩ সালে সরকার কর্তৃক নিম্ন মাধ্যমিক পাঠদান অনুমতি, পরবর্তীতে বিদ্যালয়ের শিক্ষা-কার্যক্রম উন্নত হওয়ায় অডিট কমিটি দ্বারা সকলতথ্য যাচাই-বাছাইক্রমে নিম্নমাধ্যমিক স্বীকৃতি এবং বর্তমানে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণিপর্যন্ত ৮৪৬জন শিক্ষার্থীর মাঝে পাঠদান কার্যক্রম সুনামের সাথে চলমান আছে।
বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর ১৯৯৭ সালে আইনুন নাহার, পিতা- মরহুম লাল মিয়া, স্বামী- মৌ, নেজাম উদ্দীন হেলালী, সাং-গোরকঘাটা হতে ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পমূলে ১০শতক জমি প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি আবু বকর ছিদ্দিক গোরকঘাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের পক্ষে খরিদ করতঃ দখল গ্রহণ করেন।
বিক্রিত জমি বিএস খতিয়ান করে রেজিষ্ট্রি সম্পন্নের পূর্বেই আইনুন নাহার মৃত্যুবরণ করেন। উক্ত স্ট্যাম্পে স্বাক্ষীগণের স্বাক্ষর রয়েছে।
ইত্যবসরে ২য় পক্ষ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির অন্যতম দাতাসদস্য ও পৌরসভার মেয়র আলহাজ মকছুদ মিয়ার শত্রুপক্ষের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ইন্ধনে বিদ্যালয়, পরিচালনা কমিটি ও মেয়র আলহাজ্ব মকছুদ মিয়ার সম্মান ও সুনামহানী করার উদ্দেশ্যে উক্তজমি জোরপূর্বক দখলের পায়তারা করছে মর্মে উল্লেখ করে বিগত ২৪/০৭/২০২৩ ইং বিভিন্ন জায়গায় মৌঃ নেজাম সংবাদসম্মেলন করে।
এতে তারা গোরকঘাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের খরিদকৃত জমির তথ্য গোপন করে বানোয়াট ভুয়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের বিভ্রান্ত করে যার নিউজ দৈনিক কক্সবাজার ৭১ ও অনিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালের ফেইজবুক পেইজ সিসিএন-এ প্রকাশ করে মেয়র আলহাজ্ব মকছুদ মিয়া, পরিচালনা কমিটি ও বিদ্যালয়ের মানহানী ও সুনাম ক্ষুণ্ণ করে।
এমনকি, দাতা সদস্য আলহাজ মকছুদ মিয়া কর্তৃক ২য়পক্ষের মেঘের শ্রীলতাহানী ও জমি দখলের অভিযোগ সংবলিত ১১/০৮/২০১৩ ইং তারিখ যমুনা টেলিভশনে বানোয়াট ভিত্তিহীন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নিউজ করিয়ে তাঁর মানসম্মान ক্ষুণ্ণ করে (যেখানে ২য়পক্ষ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছে মর্মে উল্লেখ দেখা যায়: এমআর- ১২৯০/২০২৩ এডিএম কোর্ট, সিপি নং- ১৫৬/২০২৩ নারীকোর্ট, ৪১ / ২০২৩ দ্রুত বিচার) যা একেবারেই অপ্রত্যাশিত।
এমতাবস্থায়, গোরকঘাটা উচ্চবিদ্যালয় ও ৮শতাধিক ছাত্রছাত্রীর শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখা এবং মেয়র মহোদয়ের সম্মান অটুট রাখার স্বার্থে ২য়পক্ষ বিবাদীগং এর যাবতীয় অপতৎপরতা বন্ধে আশু পদক্ষেপ অতিজরুরী। অতএব সদাশয়, উল্লেখিত বিষয় যাচাইপূর্বক বিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের স্বার্থে শিক্ষক শিক্ষিকাদের আবেদনের অনুকূলে মৌঃ নেজাম এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানান।